• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রূপগঞ্জের আলোচিত জোবেদা টেক্সটাইল থেকে ২৪ শিশু উদ্ধার

4নারায়নগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যে কারখানায় সাগর বর্মণ নামের ১০ বছরের শিশুকে পেটে বাতাস ঢুকিয়ে হত্যা করা হয়েছে সেই জোবেদা টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিল থেকে ২৪ শিশু শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরও করা হয়েছে।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ঈসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত শিশুরা হলো, আব্দুল্লাহ মিয়া (১৪), মিঠুন (১৪), হাসানুর রহমান (১৬), আল-আমিন (১৭), রুবেল মিয়া (১৭), মো. হোসেন (১৮), রিপন (১৭) সুমন (১৫), নাজমুল (১৬), শাকিব (১৬), নয়ন (১৫), সফিকুল ইসলাম (১৬), সাফায়েত হোসেন (১৪), বিদুৎ (১৫), বিশ্বফজত রায় (১৫), শরীফ (১৭), তোফায়েল হোসেন (১৬), রানা মিয়া (১৭), আনোয়ার হোসেন (১৫), মোঃ রানা (১৬), মুন্না মিয়া (১৭), মাহবুব (১৬), মাসুম (১৬), মিলন মিয়া (১৭)।  কারখানা থেকে উদ্ধারের পর এই শিশুদের রূপগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। মোট ২৮ জনকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হলেও চারজন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের আগেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ফোরকান শিকদার জানান, শিশুশ্রম একেবারেই নিষিদ্ধ। এ কারখানা থেকে ২৪ জনকে উদ্ধারের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শ্রম আইন অনুযায়ী কারখানাগুলোয় ১৮ বছরের নিচে শিশুশ্রম নিষিদ্ধ থাকলেও ওই কারখানাতেই কর্মরত আছে অন্তত ৪০০ শিশু শ্রমিক। তাদের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। এসব শ্রমিকদের ওপর প্রায়ই কারখানা কর্তৃপক্ষের লোকজন নির্যাতন করতো বলে অভিযোগ উঠে আসছে।

এদিকে জোবেদা টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলে শিশু শ্রমের অভিযোগে এ বছরের শুরুর দিকে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করলেও কোনও অগ্রগতি হয়নি জানিয়েছেন শিশুশ্রম তদারকি করা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান সমূহের নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের উপমহাপরিদর্শক আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, শিশুটির (সাগর) মৃত্যুর খবর পেয়ে রবিবার বিকালে ও সোমবার সকালে আমরা কারখানা পরিদর্শনে যাই। শ্রম আইন অনুযায়ী কারখানায় কোনও শিশুর মৃত্যু হলে তিন কার্য দিবসের মধ্যে কারখানার কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে কল-কারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরে লিখিতভাবে জানাতে হবে। তারপরই আমরা কোনও ব্যবস্থ নিতে পারবো। যদি ওই কারখানার পক্ষ থেকে জানানো না হয় তাহলে আমার শিশুটির মৃত্যুর জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে শ্রম আদালতে মামলা করবো। তবে এখনও শিশু নিহতের পর তিন কার্য দিবস শেষ হয়নি।

তিনি আরও জানান, এ কারখানায় শিশু শ্রমের অভিযোগ আছে। এ অভিযোগে এ বছরের শুরুর দিকে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করলেও কোনও অগ্রগতির খবর তারা পাননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ