• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারী স্টেডিয়ামের সম্প্রসারণ কাজে নানা অনিয়ম

অনিয়মবিশেষ প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলা স্টেডিয়ামের সম্প্রসারণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অর্থায়নে দুটি প্যাকেজে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে অসমাপ্ত গ্যালারী ও প্যাভিলিয়ন নির্মাণের কাছে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিয়মনীতির কোন তোয়াক্বা না করেই তাদের ইচ্ছেমত কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে সিডিউলে থাকা কোন নিয়মনীতিই মানছেনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দুটি।

সরজমিনে দেখা গেছে, স্থানীয় ভাবে সংগৃহীত নিম্নমানের বালু, ইট ও আধভাঙ্গা পাথরের স্তুপ। আর যে সব রড দিয়ে গ্যালারী ও প্যাভিলয়নের কাজ করা হচ্ছে তার গুনগত মান এতটাই নিম্ন যে কাজ করার আগেই রড ফেটে মরিচা ধরেছে। নির্মাণ কাজে সিমেন্টের পরিমাণ চার-এক দেয়ার কথা থকালেও ছয়-এক এর কাজ করা হচ্ছে। এছাড়া নিম্নমানের ইটও ব্যবহার করা হচ্ছে। নীলফামারীর একাধিক কৃতি খেলোয়াড় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার একাধিক সদস্য কাজের মান নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রয়োজনে কাজ বন্ধ করে দেয়া হবে। অপরদিকে বৃহৎ এ নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোন প্রকৌশলীকে পাওয়া যায়নি। তবে প্যাভিলিয়ন নির্মাণ কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের সাইড প্রকৌশলী জীবন কৃঞ্চ রায় বলেন, ভুলক্রমে নিম্নমানের বালু ও পাথর সরবরাহ করেছে স্থানীয় সরবরাহকারীরা। তবে সে সব সরিয়ে ফেলা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা না করে সে সব নিম্নমানের বালু ও আধভাঙ্গা পাথর ও মানহীন রড় নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়। এ দিকে সিডিউলের থাকা মাপের চেয়ে প্রায় দুই ইঞ্চি কম করা হয়েছে গ্যালারীর বসার বেঞ্চ। নির্মাণ কাজের বিবরনী সাঁটানোর নিয়ম থাকলেও তা খুজে পাওয়া যায়নি গোটা স্টেডিয়াম চত্বরে। এ অবস্থায় কাজের স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় খেলোয়াড় ও সুধীজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ