খুরশিদ জামান কাকন: শিক্ষার মাধ্যমে লুকায়িত প্রতিভা হয় বিকশিত, শিখতে হলে চলো স্কুলে চলো। শিক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাই উপযুক্ত মনোরম পরিবেশ। কিন্তু জীবন বাজি রেখে ফাটল ধরা ভবনে শঙ্কা নিয়ে পাঠদান কখনো শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ হতে পারে না। তবুও চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান পক্রিয়া, নেই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রচেষ্টা।
.
সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। যার ফলে যেকোন সময় ধসে যেতে পারে ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হওয়া এ প্রতিষ্ঠান। ঘটতে পারে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা। তারপরও বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয়ে প্রতিদিন চলছে ঝুঁকিপূর্ণ এ ভবনে প্রাতিষ্ঠানিক সকল কার্যক্রম। ভবনের ফাটল ধরার বিষয়টি স্কুল কতৃপক্ষ থেকে উপর মহলের সুদৃষ্টি কামনা করলেও প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থায় গ্রহন করা হয়নি। এমন্ত পরিস্থিতিতে ছাত্রছাত্রীরা শঙ্কা নিয়ে শ্রেণীকক্ষে ক্লাস করছে, অভিভাবকরা সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছে।
.
সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক জানান, ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়টি ১১০ বছর বয়সেও মাথা উঁচু করে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে এ বিদ্যালয়টিতে দেখা দিয়েছে ফাটল। যেকোন সময় এটি ধসে পড়ে দূর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী সহ সবার মাঝে একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। না জানি কখন কি হয়। তাই তিনি নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী সহ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।