• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহে ৮ কোটি টাকা নিয়ে অটো রাইচ মিলের ম্যানেজার লাপাত্তা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: maneger-pic-jhenaidahঝিনাইদহে ইফাদ অটের রাইচ মিলের ম্যানেজার আশাদুল ইসলাম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চারকোটিরও বেশি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়েছে। তাকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এ নিয়ে চাল ব্যবসায়ীদের মাঝে তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রতারক আশাদুল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নাথকুন্ডু গ্রামের আজিম উদ্দীন ফকিরের ছেলে।
সদর উপজেলার ডাকবাংলা ত্রিমোহনী এলাকার ইফাদ অটোর রাইচ মিলের মালিক ও সাগান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আল-মামুন জানান, বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে তার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার কয়েক কোটি টাকা হিোতয় নিয়ে পালিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বরিশালের এক পার্টির কাছ থেকে তিন কোটিসহ ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত কত কোটি টাকার ঘাপলা করেছে তা হিসাব করতে হবে।
তিনি জানান, গত শনিবার বরিশালের ফড়িয়াপট্রি মোকামের আড়ৎদার জাহাঙ্গীর, শহিদ ও দিপকসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে হিসাব করে চালের টাকা আনতে যায়।
এ সময় ম্যানেজর আশাদুলের সাথে আলাউদ্দীন আল-মামুনের ট্রাকের ড্রাইভার ও হেলপাররা ছিলেন। হিসাব নিকাশ করার এক পর্যায়ে প্রায় তিন কোটি টাকার ঘোপলা ধরা পড়ে। হিসাবে গরমিল দেখেই ম্যানেজার আশাদুল পালিয়ে যায়।
ম্যানেজার আশাদুল ২০১১ সালের পর থেকে জাল জোচ্চুরি, চাল পালিস করাসহ বিভিন্ন খাতের প্রায় আট কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে একটি সুত্র জানান। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানায় ইফাদ অটোর রাইচ মিলের মালিক আলাউদ্দীন আল-মামুন একটি জিডি করেছেন, যার নাম্বার ৭৫৪।

বিআরটিএ: ডিজিটাল নম্বরপ্লেটে ঝিনাইদহ জেলার নামের বানানে ভুল
ঝিনাইদহ সদরের আকরাম হোসেন গত বছরের নভেম্বরে মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বরপ্লেট (রেট্রো-রিফ্লেকটিভ নম্বার প্লেট) পান। তাতে ‘ঝিনাইদহ’ এর স্থলে ‘ঝিনাইদাহ’ লেখা ছিল।
সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) জেলা কার্যালয়ে বিষয়টি জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি। ভুল বানানের এই নম্বরপ্লেট নিয়ে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তিনি।
এ রকম প্রায় ৭ হাজার মোটরসাইকেল মালিক নিজ জেলার ভুল বানান নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এ ছাড়া এ জেলার কিছু মোটর কার ও জিপের নম্বরপ্লেটেরও এ রকম ভুল রয়েছে।
বিআরটিএর ঝিনাইদহ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের শেষের দিকে জেলায় যানবাহনে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট লাগানোর কার্যক্রম শুরু হয়। গত আগস্ট পর্যন্ত ৬ হাজার ৮০০ মোটরসাইকেলের ডিজিটাল নম্বরপ্লেট দেওয়া হয়েছে।
শুরু থেকেই এসব নম্বর প্লেটে জেলার নাম ভুল বানানে লেখা ছিল। যানবাহনের মালিকেরা বিষয়টি সংশোধন করতে চাইলেও বিআরটিএর জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্ব দেননি।
এ সম্পর্কে মোটরসাইকেল মালিক আকরাম হোসেন বলেন, ‘ভুল বানানের নম্বরপ্লেট নিতে চাইনি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের কিছুই করার নেই। নিজ জেলার নাম ভুল লিখে ঘুরতে লজ্জা লাগে, কিšু‘ কী করব ?’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু যাঁরা এই প্লেট তৈরির সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা বিষয়টি গুরুত্ব দেননি।’
এ ব্যাপারে বিআরটিএর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. রাশেদুজ্জামান সাংবাদিককে বলেন, ‘এসব নম্বরপ্লেট ঢাকা থেকে তৈরি হয়ে আসে। সেখানেই বানান ভুল হয়েছে। এটি সংশোধনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।’
জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) আবু ইউসুফ মো. রেজাউর রহমান বলেন, ‘জেলার নাম ভুল লেখা ঠিক নয়।
ঝিনাইদহের প্রশাসনের অনেকগুলো গাড়িতে এ রকম ভুল রয়েছে, যা সাদা কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিআরটিএকে জানানো হয়েছে। শিগগির এই ভুল সংশোধনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ