• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রংপুর মেডিকেলে সরকারি ওষুধ বিক্রির অভিযোগ

002নওশাদ আনসারী: রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ঔষধ টাকার বিনিময়ে রোগীদের কাছে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের নার্স ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বিরুদ্ধে এমনি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ(মহিলা) ২নং ওয়ার্ডে সরোজমিনে গিয়ে এর সত্যতাও পাওয়া গিয়াছে।
জি-২ বেডের রোগী হোসনে আরা জানান ডাক্তার রাউন্ডে এসে বিভিন্ন ঔষধ এর মধ্যে ‘সেফট্রোন’ ইনজেকশন লিখেন ২ দিন বাইরে থেকে ১৭০ টাকা করে আনি। পরের দিন নার্স নিজেই বলে যত করে আনেন আমাকে ১০ টাকা কম দিবেন আমি এনে দেবো। পরের দিন ‘সেফট্রিয়াক্সোন’ ইনজেকশন এনে ১৫০ টাকা বুঝে নেয় নার্স যদিও ঔষধের গায়ে পরিস্কার লেখা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্পদ। ক্রয়-বিক্রয় আইনতঃ দন্ডনীয় অপরাধ। রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারী এই ওষুধ খোদ রোগীদের কাছে বিক্রির কারন জানতে চাইলে কোন সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান কর্তব্যরত নার্স।
অনুরুপ এফ-৮ এর রোগী সরিফন জানান ‘মেট্রো আইভি’ সেলাইন চুপ করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী রেখা এনে দিয়েছেন ৪০ টাকায় আর বাইরে থেকে খরিদ করেছিলাম ৫০ টাকায়। যদিও এটা আমাদের মত রোগীদের জন্য বরাদ্দ করা আছে। জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গেটমেন জানান রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ঔষধ নার্সদের কাছে পৌছলে তার মধ্যে দামী যত ঔষধ আছে তা সরিয়ে নেই এবং প্রয়োজন বোঝে তা রোগীদের কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে। এবং এই অবৈধ কার্যক্রম হাসপাতালের প্রতি ওয়ার্ডে প্রসারিত।
রোগীদের জন্য বরাদ্দ সরকারী ওষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি এ বিষয়ে ওয়ার্ড-২ এর নার্সদের কমনরুমে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। পরে কর্তব্যরতদ ইন্টারশীপ করা ডাক্তার লিপি বেগম এর দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি জানান এটা নার্সদের বিষয় তারাই এর সঠিক উত্তর দিতে পারবে আমরাতো শুধু রোগীর সেবার জন্য আছি। এভাবে ভুক্তভোগীরাদের অভিযোগ, হাসপাতালে এডমিট হওয়ার পরেও প্রয়োজনীয় প্রায় সব ওষুধই কিন্তে হচ্ছে বাইরে থেকে এবং নার্সদের কাছ থেকে।
দেখা গেছে রংপুর মেডিকলে হাসপাতালের স্টোরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ মজুদ আছে। চাহিদানুযায়ী তা প্রতি ওয়ার্ডে তা সরবরাহ করা হয়। অথচ চিকিৎসা নিতে আসা ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা বলেছেন, হাসপাতালের কিছু অসৎ নার্স কর্মকর্তারা এসব সরকারী ওষুধ বিক্রি করছেন।
এ বিষয়ে হাসপাতাল স্টোর কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি বলেন, বরাদ্দের তুলনায় দ্বিগুণ রোগী চিকিৎসা নেওয়ার ফলে ওষুধের ঘাটতি হচ্ছে। অন্যদিকে হাতপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে সরকারি ওষুধ অবৈধ ভাবে বিক্রির জন্য ওষুধ নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ