ঢাকা: ভুয়া কাবিননামা। লিভ টুগেদার স্বীকার। বিয়ে করতে অস্বীকৃতি। মামলা দায়ের। অবশেষে কারগারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আতাউল্লাহ। মামলার বাদী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী।
ওই ছাত্রী মামলায় অভিযোগ করেন, ২০১২ সালের আগস্ট মাস থেকে বিয়ের প্রলোভনে এবং ভুয়া কাবিন রেজিস্ট্রেশন দিয়ে জুরাইনের একটি বাসায় আতাউল্লাহ তার সঙ্গে বসবাস করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি আতাউল্লাহ তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে। গত ২৬শে সেপ্টেম্বর স্ত্রীর অধিকার ফিরে পেতে আতাউল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে গেলে আতাউল্লাহ তাকে লাথি দিয়ে বাস থেকে ফেলে দেন। এসময় তাকে মারধরের পাশাপাশি তার কাপড়ও ছিঁড়ে ফেলেন। ওইদিন বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও কোতোয়ালি থানায় আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেন মনি।
মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশের শুরুতেই আতাউল্লাহ ওই ছাত্রীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে অভিযুক্ত আতাউল্লাহও ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি স্বীকার করেন। এসময় ওই ছাত্রীর দাবি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই পক্ষকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। আতাউল্লাহ বিয়ে করতে অস্বীকার করেন।
প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেন, দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছিল। ছেলে বিয়ের বিষয়টি স্বীকার না করলেও বলেছে তারা এক সঙ্গে লিভ টুগেদার করতো। তার ফাঁসি হয়ে গেলেও ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না জানালে তার বিরুদ্ধে মামলা করে ওই ছাত্রী।
এদিকে অন্য ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকা ও মাদকাসক্ত হওয়ায় তিনি মনিকে বিয়ে করবেন না বলে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগে জানান আতাউল্লাহ। কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, নারী নির্যাতনের মামলায় আতাউল্লাহকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।