• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঝিনাইদহে স্কুল ও কলেজ শিক্ষকের নামে স্বল্পমূল্যের কার্ড!

অনিয়মঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ভিজিএফ, এজিএসপি, গর্ভকালীন মাতৃত্ব ভাতা ও ১০ টাকা কেজির চালের কার্ড বিতরণে অস্বচ্ছতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ জন নির্বাচিত ইউপি সদস্য এক লিখিত অভিযোগে এ সব তথ্য জানান। তাদের লেখা অভিযোগটি বুধবার ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ পত্রে কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের মেম্বর আনোয়ার হোসেন, আকতার আলী, মনিরুজ্জামান টোকন, কলিমুদ্দীন, ছালিমা খাতুন, নজরুল ইসলাম, মকলেচুর রহমান ও আমজাদ হোসেন সাক্ষর করেছেন।
অভিযোগ পত্রে ইউপি সদস্যগন উল্লেখ করেছেন, চেয়ারম্যান নিজে ব্যক্তিগত ভাবে ভিজিএফ, এজিএসপি, গর্ভকালীন মাতৃত্ব ভাতা ও ১০ টাকা কেজির চালের কার্ড বিতরণ করছেন। এ ক্ষেত্রে তারা জনগনের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত হলেও তাদের কোন মতামত নেওয়া হচ্ছে না। নিজে খেয়াল খুশি মতো কাজ করছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও তার মেয়ে রুখসানাকে ১০ টাকা কেজির কার্ড দিয়েছে চেয়ারম্যান, শরিফুল ইসলাম গাড়ি বাড়ির মালিক। মাঠে ও ঝিনাইদহ শহরে জমি আছে। নগরবাথান এমএ খালেক কলেজের প্রভাষক জামির হোসেন ও ডেফলবাড়িয়া স্কুলের শিক্ষক জাহিদকে ১০ টাকা কেজির কার্ড দেওয়া হয়েছে।
কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তি জামাল মিস্ত্রির কার্ড দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের সাথে থাকা কাসেম ও আনোয়ারের পরিবারে একাধিক ১০ টাকা কেজির কার্ড দেওয়া হয়েছে। অথচ কত হতদরিদ্র মানুষ কার্ড পায়নি।
বিষয়টি তারা তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ করেছেন। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মেম্বররা অভিযোগ দিয়েছিল। আমি তাদের মধ্যে সমন্বয় করে দিয়েছি। আশা করা যায় ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ