• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব: জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সংকট

picture-from-nilphamari-18-10-2016-1নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী জেলা শহর ছাড়াও জেলার ৬ টি উপজেলা, অপর তিনটি পৌরসভা ও অন্যান্য হাট বাজারগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এসব বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জেলার জনজীবন। লোকজনকে নানা আশংকায় প্রতিনিয়ত পথ চলতে হচ্ছে। এরপরেও জেলাজুড়ে প্রতিদিন শতাধিক ব্যাক্তিকে কুকুর কামড়ানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। কুকুর কামড়ানো রোগীদের চিকিৎসা ভ্যাকসিন হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় চিকিৎসা নিতে তাদেরকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ভ্যাকসিন সংকটের কারনের চিকিৎসা না পেয়ে প্রতিদিন হাসপাতাল হতে অসংখ্য রোগীকে ফিরতে হচ্ছে বিনা চিকিৎসায়। শুধু মানুষ নয় এসব বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে প্রতিদিন জেলাজুড়ে গরু, ছাগল, ভেড়া সহ শতাধিক বিভিন্ন গবাদী পশুকে কামড়ানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। কুকুর কামড়ানোর ফলে পশু মালিকগন পড়ছেন নানা বিড়ম্বনায়। অনেকের পশু মারা গেলেও কুকুর কামড়ানো আক্রান্ত অধিকাংশ পশু জেলার বাজারে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। যার সবগুলোই গোশত হিসাবে জেলাবাসীই আবার কিনে খাচ্ছেন। এরফলে হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের ব্যাপারে জন প্রতিনিধি ও সংশি¬ষ্ট কতৃপক্ষ বরাবরের মত উদাসীন। এরফলে জনস্বাস্থ্য ও জনজীবনে এ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জনপ্রতিনিধিদের দাবী, উচ্চ আদালতের একটি রুল আছে যে, কোনো জীব হত্যা করা যাবে না, এ কারণেই তারা অসহায়। সরেজমিনে দেখা যায় যে, জেলা ও উপজেলা শহর ও জেলার বিভিন্ন হাট বাজার এমনকি গ্রামের রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও অলিগলিতে বেওয়ারিশ কুকুরের দল। রাস্তায় চলাচলকারী পথচারী ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা এসব কুকুরকে এড়িয়ে সাবধানে অজানা আশংকায় পথ চলছে। এরপরেও প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ব্যাক্তিকে কুকুর কামড়ানোর খবর পাওয়া যায়। এদের মধ্যে বেশীরভাগই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী। জেলার সরকারী হাসপাতালগুলোতে কুকুর কামড়ানোর ভ্যাকসিন সরবরাহ অপর্যাপ্ত থাকায় চিকিৎসা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এ সব রোগীদের। বাধ্য হয়ে বাজার হতে ভ্যাকসিন কিনে তাদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। যা অত্যন্ত ব্যায়বহুল হওয়ায় সাধারন মানুষ জন পড়ছে নানা বিড়ম্বনায়। এ ব্যাপারে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ হাসিনুর রহমান জানান, প্রতি ১৫ দিনের জন্য কুকুর কামড়ানো প্রতিষেধকের ৫০ টি করে ভায়াল পাওয়া যায়, যা দিয়ে ২০০ জনের একটি ডোজ হয়। প্রতিজনকে ৪ সপ্তাহের ব্যাবধানে ৪ টি ডোজ দেয়ায়  ওই ৫০ টি ভায়াল ২ দিনেই শেষ হচ্ছে। কারণ শুধুমাত্র সদর হাসপাতালেই প্রতিদিন শ খানেক কুকুর বিড়াল কামড়ানো রোগী আসছেন। তাছাড়া ১ সপ্তাহ আগে হাসপাতালের প্রতিষেধক শেষ হয়েছে। এ কারণে রোগীদের বাইরে থেকে প্রতিষেধক কিনে আনতে হচ্ছে, এখানে সেটি পুষ করা হচ্ছে মাত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ