• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমারে অভিভাবক সদস্যের কারনে হুমকির মুখে ৯ ছাত্রের শিক্ষাজীবন

প্রতারনানীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে স্কুলের অভিভাবক এক সদস্যের প্রতারনার শিকার হয়ে অনিশ্চিত হয়ে পরেছে ৯ জন ছাত্রের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন। জেলার ডোমার উপজেলার দক্ষিন মটুকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে।
স্কুলের ছাত্রদের অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিন মটুকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য গত ১৬ অক্টোবর থেকে স্কুলে নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু স্কুলের অভিভাবক সদস্য খলিলুর রহমান চক্রান্ত করিয়া আমাদের ৯জন ছাত্রকে দিয়ে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে নিষেধ করে এবং তাদেরকে জোরপৃর্বক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে মাধ্যমিক অফিসারের নিকট অভিযোগপত্র দাখিল করে। ছাত্ররা বলেন, অভিভাবক সদস্য খলিল আমাদের আরো বলেন, পরীক্ষা না দিয়ে তোমরা রাস্তায় বসে থাকবে। আমি এসে তোমাদের সাথে নিয়ে প্রধান শিক্ষককে গনপিটুনি দিব। পরীক্ষা না দিলেও তোমাদের কোন ক্ষতি হবে না বলেও তিনি আমাদের জানিয়েছেন। আমরা তার কথায় বিশ্বাস করে প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশগ্রহন করি নাই। পরে জানিতে পারি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন না করলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না। আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পেরে সকল ছাত্র মিলে প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষকের কাছে ভুল স্বীকার করি এবং আমরা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে দেওয়া আমাদের নামে অভিযোগপত্রটি প্রত্যাহারের জন্য আবেদনসহ সহ ঐ অভিভাবক সদস্যের শাস্তির দাবী জানিয়েছি। অভিযোগে ছাত্ররা আরো জানান, ঐ অভিভাবক সদস্য স্কুলের উন্নয়ন কাজে বাধা দিয়ে স্কুলের নানা ক্ষতি সাধন করেছেন। ছাত্রদের পাশাপাশি স্কুলের সকল শিক্ষকরাও তার শাস্তির দাবীতে স্কুলের সভাপতির নিকট অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে তারা জানান, স্কুলের ছাত্রদের উপস্থিতিতে ঐ সদস্য আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাদের চাকুরী খেয়ে নেওয়ার হুমকি দেন। তার এহেন আচরনে ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলের ছাত্ররা তার শাস্তির দাবী জানিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট আবেদন জানান। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল হক জানান, ছাত্ররা ভুল বুঝতে পেরেছে। একাডেমিক স্যার এসেছিল। ছাত্ররা বাকী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হলে বিষয়টি দেখা হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রেহেনা ইয়াসমিন অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ