নীলফামারী প্রতিনিধি: জেলার ডোমার উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে একটি অর্থ বছরেই প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার অডিট আপত্তি উঠেছে। সিভিল অডিট অধিদপ্তরের নিরিক্ষা ও হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা খোন্দকার মোঃ নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানা যায়। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে অগ্রিম পরিশোধিত প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার এ অডিট আপত্তি উঠে।
সিভিল অডিট অধিদপ্তরের নিরিক্ষা ও হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পত্রে জানা যায়, নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলা হিসাব রক্ষন অফিস এর ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে হিসাব নিরিক্ষায় দেখা যায় যে, ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ডোমার যার কোড নং-৩/৪৯০১/০০০৬/৫৯৬৫ খাতের বরাদ্দ হতে ৮,৩৫,২৬১২৩ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করা হয়েছে। যার টোকেন ও তারিখ নং যথাক্রমে, ৮০-৩/১০/১৩ অতিদরিদ্রদের জন্য ৭৬,৫০০ টাকা, ১৫১-২৭/৪/১৪ কর্মসুচীর ৪,১৯,৫০৫৬ টাকা, ১৩৩-২১/৫/১৪ কর্মসুচীর ৭৬,৫০০ টাকা, ১২৮-১৬/৯/১৩ কর্মসুচীর ৩,৭৪,৭৬,০০০ টাকা, ১২৭-১৬/৯/১৩ কর্মসুচীর ৪১,৮৬,০৬৭ টাকা, ১৫০-২০/৪/১৪ কর্মসুচীর ৩,৭৫,১৬,০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রদানকৃত এ টাকার অদ্যাবদি সমম্বয় বিল দাখিল করা হয় নাই। ট্রেজারী রুল এস,আর ৩৭০ মোতাবেক অগ্রিম পরিশোধিত অর্থ একই অর্থ বছরেই সমম্বয় বিল দাখিল করার বিধান রয়েছে। যা বিধান লংঘন বলে অডিট আপত্তিতে প্রকাশ। অগ্রিম অসমম্বয়ের কারনে অগ্রিম গৃহীত অর্থ দ্রুত সমম্বয় করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট ডিডিও এর সাথে যোগাযোগের মাধ্যেমে সমম্বয়ের ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মশিয়ার রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি নিয়মিত অফিসে না আসায় তাকে পাওয়া যায় নি এবং তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায় নি।