• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

১৮ ভারপ্রাপ্ত ভিসির দেয়া সনদ অবৈধ

ইউজিসিঢাকা: ১৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসির দেয়া সনদ অবৈধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। বৃহস্পতিবার পত্রিকায় প্রকাশিত ইউজিসির বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানান গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অর্জিত ডিগ্রির মূল সার্টিফিকেট ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষরিত হতে হয়। আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছর মেয়াদে ভিসি, প্রো-ভিসি, এবং কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেবেন। কাজেই এসব পদে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাউকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ দিলে তা হবে আইন পরিপন্থী।
বর্তমানে ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষ নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৩১ (২) ধারা অনুযায়ী ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী এবং একাডেমিক কর্মকর্তা। মঞ্জুরি কমিশনের একাধিক নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দেশের ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি, প্রো-ভিসি এবং কোষাধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এর ফলে শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। রাষ্ট্রপতির নিয়োগ করা উপাচার্যের স্বাক্ষর ছাড়া সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হবে না।
মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসির স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে অর্থ সংক্রান্ত চেক এবং অন্য কোনও দলিলপত্র স্বাক্ষর করাও বৈধ হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ২০০৯ সালের পর থেকে ভিসি নেই। দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ চলতি বছরের এপ্রিলের পর ভিসি নেই। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে ২০১৪ সালের পর থেকে ভিসি নেই। ২০১২ সালের পর থেকে ইবাইস ইউনিভার্সিটির ভিসি নেই। ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ায় ২০১৬ সালের জানুয়ারির পর থেকে ভিসি নেই।
এছাড়া রয়েল ইউনিভার্সিটিতে ২০০৯ সালের পর থেকে, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে ২০১৩ সালের পর ও জার্মান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ ২০১৬ সালের মার্চের পর থেকে থেকে উপাচার্য নেই।
এছাড়া শুরু থেকেই বৈধ ভিসি ছাড়া চলছে ঈশাখাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, জেডএইচ শিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, নটরডেম বিশ্ববিদ্যারয় বাংলাদেশ, রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি (আরএসটিইউ), রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, কারিদাবাদ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, সৈয়দপুর আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং কুমিল্লা বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ দেয়া ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষের হালনাগাদ তালিকা ইউজিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে  উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্টদের জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।
ইউজিসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ ভিসি নিয়োগের পর সনদে তাদের স্বাক্ষরের পরই ওই সনদগুলো বৈধ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ