• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কুয়াশাছন্ন ভোরের আকাশে শীতের আগমনী বার্তা

shishir-viza-ghash-picমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: দিনাজপুরে হেমন্তের শেষে কার্তিক মাসের শুরুতে বইছে শীতল হাওয়া।  ভোরের আকাশে ঘনকুয়াশায় যেন শীতের দেখা মিলছে। দিনে গরম আর সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে পড়ছে ঘনকুয়াশার ফুলঝুরি।
দেশের উত্তরের জনপদ দিনাজপুরে হেমন্তের শেষ হতে না হতেই শীতের বুড়ি এসে যেন জবরদখল করে নিচ্ছে প্রকৃতিতে। দিনে গরম, রাতে হিমালয়ের কুয়াশার শীতল হাওয়া আর ভোর রাতে ঘন কুয়াশার হাতছানিই বলে দিচ্ছে শীত বেশী দুরে নয়। দিনের বেলা সূর্যের আলোর দেখা মিললেও দিন দিন তাপমাত্রা কমছে। এতদিন যারা হালকা বা পাতলা কাপড় গায়ে জড়িয়ে বের হতেন তারা এখন শীতের ভারী কাপড় পরতে শুরু করেছেন। সকালে ঘাসের ডগায় আর বৃক্ষরাজির পাতায় পাতায় জমে থাকা শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর বিকেলের হিমেল বাতাসে শীতের হাওয়া।
শহরের কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তি জানান, দিনাজপুরে শীত নামে বেশ আগে ভাগেই। এবার তার ব্যতয় ঘটেনি, কার্তিক মাসের শুরুতে হলেও উত্তর দিগন্তে হিমালয়ের বরফচূড়া থেকে ছড়িয়ে পড়ছে শীতবুড়ির হিমশীতল নিশ্বাস। পূর্ব আকাশে কুয়াশাঢাকা স্নান মুখ আর অল্প স্বপ্ন মরা রোদের ঝলকানিই মনে করিয়ে দিচ্ছে শীতের আগমনকে বরণ করে নেয়ার সময় এসেছে।
এদিকে শীতকে সামনে রেখে অনেকেই যারা পুরনো শীত বস্ত্র তুলে রেখেছিলেন তারা সেগুলো বের করছেন। কেউ বা আবার নতুন করে লেপ-তোষক তৈরি করছেন। লেপ-তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততাই মনে করিয়ে দিচ্ছে শীত আসছে।
শীতের এ মাসগুলো যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের নিআয়ের মানুষের কাছে কবির সেই কবিতার লাইনটির মত “কারো পৌষ, কারো বা সর্বনাশ” অভিশাপ হয়েই দেখা দেয়। কারণ বিত্তবানদের যেখানে বাহারি ডিজাইনের শীতের কাপড়ের সমারোহ থাকে, সেখানে নিম্ন-শ্রেণীর অনেকের ভাগ্যে হয়তো একটি কাপড়ও জোটে না। আর তাই নিম্নশ্রেণীর নারীরা বেশ আগে-ভাগেই সংসারের কাজের ফাঁকে পুরনো শীতের কাঁথাগুলো নতুন করে ছেঁড়া শাড়ী-লুঙ্গি দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে ব্যবহারের উপযোগী করার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অপরদিকে শীতের আগমনে বিত্তবানরা ছুটছেন শহরের নামী-দামী বিপণী বিতান ও কাপড়ের মার্কেটগুলোতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ