• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মুক্ত হচ্ছেন মাহমুদুর রহমান

মাহমুদুরসিসি ডেস্ক: অবশেষে মুক্তি পেতে যাচ্ছেন আলোচিত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। মুক্তির আদেশে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের সাক্ষর করার পর তা গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ২ এ পৌঁছানোর পর তার মুক্তি প্রক্রিয়ায় আর কোনো বাঁধা থাকলো না।

কাশিমপুর কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ওই জামিননামা কাশিমপুর কারাগারে পৌছায়। এর আগে রবিবার ওই জামিন আদেশে সাক্ষর করেন বিচারপতিগণ।

সর্বশেষ মামলায়ও সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগে দৈনিক আমার দেশ’র সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন হয়।

২০১৩ সালে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘ ১৩১৯ দিন কারাভোগ করেন মাহমুদুর রহমান। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সম্পাদকের এতো বেশিদিনের কারাভোগের ঘটনা এটিই প্রথম।

মাহমুদুর রহমানের পরিচিতজনদের সাথে কথা বলেও তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা জানিয়েছেন, শেষ মুহুর্তে সরকারের নির্বাহী আদেশে আর কোনো নতুন আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হলে তার মুক্তি প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিবন্ধকতা আপাতত নেই।

এর আগে ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের চেষ্টা ও হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় মাহমুদুর রহমানের জামিন বহাল রাখে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

৩১ অক্টোবর সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন।

এর আগে মাহমুদুর রহমানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার জামিন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা এবং মাহমুদুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ মাহমুদুর রহমানকে জামিন দেন।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমেরিকায় অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

চলতি বছর ১৮ এপ্রিল ওই মামলায় ঢাকার সিএমএম আদালতে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত পরে ২৫ এপ্রিল এ আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন। ওই দিন তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

অপরদিকে মাহমুদুর রহমানের আইনজীবীরা তার জামিনের আবেদন করেন। তবে সেই জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ। পরে নিম্ন আদালতের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মাহমুদুর রহমান। হাইকোর্ট তার জামিন প্রশ্নে এর আগে রুল জারি করেছিল। সেই রুল যথাযথ ঘোষণা করে ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন।

মাহমুদুর রহমানের নামে ওই মামলাসহ অন্তত ৭০টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যসব মামলায় এর আগেই জামিন নিয়েছেন তিনি।

উৎসঃ   আরটিএনএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ