সিসি নিউজ: ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে করা দুই মামলায় নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির সাংসদ শওকত চৌধুরীকে ন্মিন আদালতের দেয়া জামিন কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ওই মামলায় বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান ও বংশাল শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক হাবিবুল গনির জামিন প্রশ্নে রুল শুনানিকালে বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্জ বৃহস্পতিবার রুল দেন। ১০ দিনের মধ্যে ওই সাংসদকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এ রুল শুনানির জন্য আগামী ৭ ডিসেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
আদালতে ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন এম সারোয়ার হোসেন। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান। ব্যাংকের সাবেক দুেই কর্মকর্তার পক্ষে ছিলেন আইনজীবি আবদুল বাসেদ মজুমদার ও জিয়াউর রহমান।
নথিপত্র থেকে জানা যায়, ২৯টি এলসির মাধ্যমে ৯৩ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার ২১৩ টাকা এবং দুটি এলসির মাধ্যমে ৮২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৯ জনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ৮ মে ও ১০ মে বংশাল থানায় পৃথক দুটি মামলা করে দুদক। আসামির তালিকায় এক নম্বরে আছেন সাংসদ শওকত চৌধুরী। ওই দুই মামলায় চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ও ৪ অক্টোবর নিম্ন আদালত থেকে জামিন পান তিনি।
এম সারোয়ার হোসেন বলেন, আবেদনকারীর আইনজীবিরা শুনানিকালে যুক্তি দিয়েছেন, মামলার মূল আসামি জামিনে রয়েছেন। এরপর বিষয়টি আদালতের নজরে এলে আদালত স্বত:প্রণোদিত হয়ে রুল দেন।