• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে ১৯ বছর পর দখলদার উচ্ছেদ

সৈয়দপুরবিশেষ প্রতিনিধি: দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের জয়ী হওয়ায় অবশেষে দখলদার ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ করে বাঁশবাড়ী মহল্লায় হাজী সাহাব উদ্দিনকে তার ক্রয় করা ১৯ শতক জমি ফিরিয়ে দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। গত ২১ নভেম্বর স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় দখলদার ভাড়াটয়াদের উচ্ছেদ করে এ জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নব্বই দশকে সাহাবুন নেছা ও জয়েজ খানের কাছ থেকে শহীদ মাহতাব বেগ সড়কে অবস্থিত অবকাঠামোসহ ১৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে হাজী সাহাবুদ্দিন। এরপর ক্রয় করা ওই সম্পত্তিতে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাস করতে দেন মৃত সিদ্দিকের ছেলে এমদাদুল ওরফে দাদুল, মোহাম্মদ আলী ও মো. বাবুলকে। পরে ১৯৯৮ সালে হাজী সাহাবউদ্দিন বাড়ি খালি করতে বললে ভাড়াটিয়ারা বাড়ি খালি না করে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভাড়াটিয়া দাদুল ভুয়া দলিল তৈরী করে ওই জমি নিজেদের বলে দাবি করে। এ ব্যাপারে হাজী সাহাবউদ্দিন ফৌজদারী মামলা দায়ের করলে রায়ে ৩ জনের প্রত্যেকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেয় আদালত। বর্তমানে তারা উচ্চ আদালতের রায়ে জামিনে রয়েছেন।
সূত্র মতে, নিজের ক্রয় করা জমির দখল বুঝে পেতে হাজী সাহাবউদ্দিন বিজ্ঞ এসএসসি আদালতে ০১/৯৯ মামলা দায়ের করলে নিজের পক্ষে ডিক্রি পান। সর্বশেষ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ১২১/০৬ নং সিভিল আপলি মোকদ্দমায় ভাড়াটিয়াদের বিরুদ্ধে রায় দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ওই জমি দখলমুক্ত করে হাজী সাহাবউদ্দিনকে বুঝিয়ে দেন। এক প্রতিক্রিয়ায় হাজী সাহাবউদ্দিন বলেন, বিলম্ব হলেও আদালতের মাধ্যমে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জমি উদ্ধার করতে দাদুল গংয়ের বিরুদ্ধে হাজী সাহাবউদ্দিনের মামলাটি ছিল বাঁশবাড়ী তথা সৈয়দপুরের অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। একটি চিহ্নিত গোষ্ঠির সদস্যরা দাদুলের পক্ষে অবস্থান নেয়। তাদেরই আর্থিক ও নৈতিক সমর্থনে দাদুল গং মামলা দীর্ঘায়িত করেছে। তা না হলে চালচুলোহীন দাদুল গংকে শিক্ষা দেওয়া হাজী পরিবারের পক্ষে কঠিন ছিল না।
হাজী সাহাবউদ্দিন পরিবারের সদস্য সাবেক প্যানেল মেয়র মোস্তফা কামাল বলেন, সত্যের অবশেষে জয় হয়েছে। দীর্ঘ ১৯ বছর পর আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে। আইনী লড়াইয়ে যারা আমাদের সাহস ও সমর্থন দিয়েছেন তাদের প্রতি পরিবারে পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ