• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভোটের আগেই আ.লীগের ১৯ চেয়ারম্যান

নির্বাচনসিসি ডেস্ক: দেশে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। আর প্রথমবার হতে যাওয়া এ নির্বাচনে ভোটের আগেই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় চেয়ারম্যান পদে সরকারী দল সমর্থিত ১৯ জন প্রার্থী ভোটের আগে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। রোববার প্রার্থিতা প্রত্যাহরের শেষ দিন। তারপরই এদের জয়ী করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, বাছাইয়ের পর এখন পর্যন্ত মেয়র পদে একক প্রার্থী রয়েছে ১৯ জেলায়। সাধারণ সদস্য পদে ১৩৭ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ৫১ জন একক প্রার্থী রয়েছে।

যেই ১৯ জেলায় একক প্রার্থী রয়েছে : বাগেরহাট, বরগুনা, ভোলা, ঢাকা, দিনাজপুর, গাজীপুর, হবিগঞ্জ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝালকাঠি, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, নেত্রকোণা, সিরাজগঞ্জ, শেরপুর, ঠাকুরগাঁও।

এছাড়া দুই জন করে প্রার্থী রয়েছেন ১৭ জেলায় : বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ফরিদপুর, ফেনী, গোপালগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, মাদারীপুর, নীলফামারী, সাতক্ষীরা, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, নরসিংদী, রংপুর ও শরীয়তপুর।

তিন জন করে খুলনা, মাগুরা, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী ও রাজশাহীতে।

চার জন করে প্রার্থী রয়েছে ১৩ জেলায় : বরিশাল, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, লক্ষ্মীপুর, মেহেরপুর, নড়াইল, নোয়াখালী, পাবনা, পিরোজপুর, রাজবাড়ি, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও লালমনিরহাট জেলায়।

৫ জন করে প্রার্থী রয়েছে তিন জেলায় : গাইবান্ধা. মানিকগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে।

চাঁদপুর ও চাপাইনবাবগঞ্জ এ দুই জেলায় ছয় জন করে প্রার্থী। জামালপুরে ৭ জন ও পঞ্চগড়ে ৮ জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে।

ইসির উপ-সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান জানান, সুষ্ঠূ ভোট আয়েোজনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি উপজেলা, জেলা সদর ও সিটি করপোরেশনে ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোটকেন্দ্র থাকবে। সার্বিক বিষয়কে সামনে রেখে ১০ ডিসেম্বর আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হবে।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানান, চেয়ারম্যান পদে মোট ১৯০ট, সাধারণ সদস্য পদে ৩ হাজার ৫৬১টি এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৮৯৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

এর আগে ২০ নভেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষিাণা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ দিন ছিল ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, ৩ ও ৪ ডিসেম্বর সেগুলো যাচাই-বাছাই হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১১ ডিসেম্বর। আর ভোট হবে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত।

এ নির্বাচনে জেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসাররা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোথাও কোথাও উপজেলা নির্বাচন অফিসারকেও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা করা হয়েছে।

প্রতিটি জেলায় স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি জেলায় ১৫ জন সাধারণ ও পাঁচজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকবেন। এ হিসেবে স্থানীয় সরকারের চার ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত প্রতিনিধি এ নির্বাচনে ভোট দেবেন।

প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার হবেন। তাদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। এদের পদে থেকে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। ২৫ বছর বয়সী যেকোনো নাগরিক সংশ্লিষ্ট জেলায় প্রার্থী হতে পারবেন।

স্থানীয় সরকারের প্রথম এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না মাঠের বিরোধী দল বিএনপি ও সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।

উৎসঃ পরিবর্তন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ