• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে অনুমতি ছাড়াই কাটা হচ্ছে সরকারী গাছ

নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই সরকারী বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ভবন নির্মানের নামে দেদারছে কাটা হচ্ছে সরকারী গাছ। ৫ লক্ষাধিক টাকা মুল্যর প্রাচীন ৫টি আম, ১ টি লিচু ও একটি ইউক্যালিপটাস গাছ সহ ৭ টি গাছ কাটাকে ঘিরে এ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে সরকারী সম্পত্তি রক্ষকেই নেমেছে ভক্ষকের দায়িত্বে। জনমনে প্রশ্ন তবে কি আত্বসাতের উদ্দেশ্য নিয়ে এভাবে কোন বিধি ছাড়াই গাছ কাটা হচ্ছে। এ গাছ কাটার ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস চত্বরে।

জানা যায়, ওই ভুমি অফিস চত্বরে প্রাচীন একাধিক ফলজ ও বনজ ২২ টি গাছ রয়েছে। কোন প্রকার নিয়মনীতি ছাড়াই সে গাছগুলি হতে ৭ টি গাছ গতকাল মঙ্গলবার হতে কাটা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এ গাছ কাটর জন্য কোন প্রকার দরপত্র আহ্বান বা কতৃপক্ষের কোন পুর্বানুমতি নেয়া হয়নি। মঙ্গলবার সকালে ডোমার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফুয়ারা খাতুন এ গাছ কাটার আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করেন। এ ব্যাপারে কতৃপক্ষের দাবী ওই স্থানে একটি সরকারী ভবন নির্মান করা হবে। ওই গাছগুলির কারনে তা করা সম্ভব হচেছ না তাই গাছগুলি কাটা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায় নি।

এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফুয়ারা খাতুন গাছ কাটার জন্য কোন দরপত্র দেয়া হয়নি স্বীকার করে জানান, তবে গাছ কাটার পরে তা নিলাম করা হবে। তিনি আরো জানান, ওই ইউনিয়নে একটি সরকারী ভবন বরাদ্ধ রয়েছে। জায়গার অভাবে তা নির্মান করা যাচ্ছে না তাই গাছ কেটে ভবন নির্মানের জায়গা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ