• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না’

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, “মেজর জিয়াউর রহমান প্রকৃত পক্ষে একজন আদর্শিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না।” বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।

মন্ত্রী বলেন, “জিয়া পাক-হানাদার বাহিনীর সমর্থক ছিলেন বলেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘সোয়া জাহাজ’ থেকে পাকিস্তানী সমরাস্ত্র খালাস করার জন্য উদ্যোগী ছিলেন। মেজর জিয়াউর রহমান অবস্থার প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন, আদর্শের ভিত্তিতে নয়।”

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। তিনি একজন সেক্টর কমান্ডার ও পরে ‘জেট’ ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন।”
তিনি আরো বলেন, “জিয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথা মুজিবনগর সরকারের অধীনে যুদ্ধ না করে ওয়ার কাউন্সিল গঠন করে মুক্তিযুদ্ধ করার প্রস্তাব করায় যুদ্ধকালীন প্রধান সেনাপতি জেনারেল এমএজি ওসমানী তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করে পুনরায় সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।”
“মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন খুনী খন্দকার মোস্তাকের দোসর হিসেবে পাকিস্তানের সঙ্গে লস কনফেডারেশন গঠনের চক্রান্তেও জড়িত ছিলেন জিয়াউর রহমান,” -বলেন মন্ত্রী।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, “১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিদেশী দূতাবাসে চাকুরী দেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের বিচার বন্ধ করার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ আইন সভায় অনুমোদন করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী, যুদ্ধাপরাধী আব্দুল আলীমসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রীসভায় স্থান দিয়ে এবং ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চালু করে প্রমাণ করেছেন যে, তিনি আদর্শিক মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না।”
সরকারি দলের অপর সদস্য মে. জে. এটিএম আবদুল ওয়াহহাবের (অব.) এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “জেনোসাইড অ্যাক্ট ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা যে সকল হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল এবং বাড়ি-ঘর জ্বালাও পোড়াও করেছিল তা যারা অস্বীকার করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন তৈরি করার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ