• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চলে গেলেন অভিনেতা ওম পুরী

বিনোদন ডেস্ক: চলে গেলেন বলিউড অভিনেতা ওম পুরী। শুক্রবার সকালে মুম্বাইয়ের আন্ধেরীতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার দীর্ঘ দিনের বন্ধু পরিচালক অশোক পণ্ডিত।

হঠাৎ করেই তার মৃত্যুর খবর আসায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা বলিউড ও টলিউড জুড়ে। তার প্রয়াণে শুধু ভারতবর্ষ নয়, গোটা বিশ্বের সিনেমা জগতের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

বিশিষ্ট অভিনেতা বোমান ইরানি বলেন, ‘মহান শিল্পী, তার না থাকাটা সবসময় অনুভব করব।’ অনুপম খের বলেন ‘গত ৪৩ বছর ধরে ওম পুরীকে চিনি। বিশ্বাসই হচ্ছে না যে ওম আর নেই।’ ওম পুরীর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মধুর ভান্ডারকর।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি খুবই মর্মাহত। তার এভাবে চলে যাওয়াটা ভাবতেই পারিনি। আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিল ও। দেশে-বিদেশে তার সঙ্গে অনকম সময় কাটিয়েছি। অভিনয়কে অনেক কিছুই দিয়েছে, আরো কিছু দেয়ার ছিল, কিন্তু সেটা থেকে বঞ্চিত হল।’

ট্যুইট করে ওম পুরীর মুত্যৃতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি চলচ্চিত্র, থিয়েটার জগতে ওম পুরীর দীর্ঘ অভিনয় জীবনেরও স্মরণ করেন। শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়সহ অন্য রাজনৈতিক নেতারাও।

ওম পুরী ১৯৫০ সালের ৮ অক্টোবর, হরিয়ানার আম্বালায় জন্ম নেন। তার বাবা ভারতীয় রেলের পাশাপাশি সেনাবাহিনীতেও কাজ করেন। পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট থেকে গ্রাজুয়েশন করেন। সেখানে তার সহপাঠী ছিলেন আরেক বলি অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামার ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন নন্দিতা পুরীকে। ওম-নন্দিতার একমাত্র সন্তান ঈশান।

১৯৭৬ সালে মারাঠি ছবি ‘ঘষিরাম কোতওয়াল’ দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন। যানে ভি দো ইয়ারো, অর্ধ সত্য, মির্চ মশালা, ম্যাচিস, গান্ধী, সিটি অফ জয়’ সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। সম্প্রতি বজরঙ্গি ভাইজান ও ঘায়েল ওয়ানস এগেইন ছবিতে অভিনয় করেন।

সত্যজিৎ রায়ের সদগতি ছবিতে ওম পুরীর অভিনয়ও ছিল অসামান্য। শুধু তথাকথিত আর্ট ফিল্ম নয়; প্যার তো হোনা হি থা, চাচি ৪২০, ভুত, হে রাম’র মতো বাণিজ্যিক ছবিতেও দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। বলিউড ছাড়াও হলিউড, ব্রিটিশ, পাকিস্তানি সিনেমায় ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

‘অর্ধ সত্য’ ও আরোহন ছবির জন্য দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পান। অভিনয় জগতে অসামান্য অবদানের জন্য ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ পেয়েছিলেন ওম পুরী। ২০০৮ সালে ফিল্ম ফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার পান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ