মো: হারুন অর-রশিদ, ডেমরা: ডেমরায় থানা পুলিশের অভিযানে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ফারুক ওরফে ইয়াবা ফারুক (৩৮) আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তাকে ডেমরার ঠুলঠুলিয়া-খলাপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবা বিক্রির সময় আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। ফারুক ওই এলাকার মৃত মো. আনোয়ার আলীর ছেলে। এ বিষয়ে রাতেই ডেমরা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডেমরা থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা ব্যবসায়ী ফারুক গত ৬/৭ বছর আগে পেশায় গাড়ি চালক ছিল। পরে এ পেশা বাদ দিয়ে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে অনেক টাকার মালিক হয়। সে বেশ প্রভাবের সঙ্গেই ডেমরা ইউনিয়ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে গত কয়েক বছর ধরে ইয়াবা সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল। যুব সমাজকে নষ্ট করার দায়ে এলাকাবাসী ফারুকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
ডেমরায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ডেমরা থানা ছাত্র দলের সাধারন সম্পাদক মো. তাজ মাহমুদকে (৩৪) গ্রেফতার করেছে ডেমরা থানা পুলিশ। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১ টায় আদালতে পাঠায় পুলিশ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে সারুলিয়ার টেংরা এলাকা থেকে তাজকে গ্রেফতার করা হয়। সে ওই এলাকার সালেহ্ আহম্মেদের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসাবে বসবাসরত আব্দুল আলীমের ছেলে।
ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম কাওসার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃত ছাত্রদল নেতা তাজ মাহমুদ বিগত ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বছরগুলোতে বিএনপিসহ ২০ দলের ডাকা লাগাতার হরতাল অবরোধের সমর্থনে ককটেল বিস্ফোরণ ও বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করাসহ বিভিন্ন নাশকতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল বলে তার নামে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিগত ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারীতে ৩,৪,৬ ধারায় ডেমরা থানায় বিস্ফোরক মামলা হয়। ওই মামলায় তাজকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন মহামান্য আদালত।
ডেমরা থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত তাজ মাহমুদ বিগত ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারী রাতে ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার-বামৈল এলাকার ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সড়কে ১ টি কাগজ বোঝাই ট্রাকে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে পুড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল। তাছাড়া গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ভোরে রানীমহল বাসস্ট্যান্ডে একটি যাত্রীবাহী লেগুনায় আগুন দেয়ার সঙ্গেও জড়িত ছিল ছাত্রদল নেতা তাজ।