সিসি নিউজ: ফেসবুকে উস্কানি ও ব্যঙ্গোক্তি মূলক প্রচার করায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জে Md Alom miya’র ব্যবহারকী নূরে আলমের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা করেছে যুবলীগ নেতা শফিউল আযম।
বাদীর এজাহার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে,বীরগঞ্জ উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে ভুমি জরিপ অফিসে এমএলএস (পিয়ন) পদে মাষ্টারোলে কর্মরত নূর আলম ওরফে আলম তার ব্যবহৃত ফেজবুক Md Alom miya নামীয় ID তে দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ্যড. আব্দুল হামিদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি আলহাজ হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সহ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্ব পালনকারী রাজনৈতিক ব্যাক্তি এবং উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কটুক্তি, ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত সাংবাদিক, পুলিশ বাহিনীসহ আইজিপিকে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকার ব্যাঙ্গক্তি মূলক ছবি তৈরী করে পোষ্ট ও শেয়ার দিয়ে অপপ্রচার করায় ওই এলাকার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ সকল সহযোগী এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
যুবলীগ নেতৃবৃন্দ আওয়ামীনেতা ইউপি চেয়ারম্যান মো: আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলালকে অভিযোগ দিলে তিনি ঘটনাটি থানায় অবগত করেন। ১৫ জানুয়ারী রোববার রাতে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শফিউল আযমের লিখিত এজাহার মূলে নূর আলমের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে ৫৭(২) ধারায় ৯ নম্বর মামলা রেকর্ড করা হয়। তাৎক্ষনিকভাবে এজাহার নামীয় আসামীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্ত এবং তার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য নূর ইসলাম নুর, যুগ্ন সম্পাদক শামিম ফিরোজ আলম সহ অনেকে। ওসি আবু আককাস আহমদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আসামী গ্রেফতারে জোর তৎপরতা চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকেও“ট্রাম্প কার্ড” নামে ফেসবুকে আইডি ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উঠেছে। ওই ফেসবুক আইডি’তে উস্কানি ও ব্যঙ্গোক্তি মূলক প্রচার করা হচ্ছে।