জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় স্ত্রীর অধিকার চেয়ে স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান নিয়েছে এক অর্নাস পড়ুয়া কলেজ ছাত্রী। আজ মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের মাইজালি পাড়া গ্রামে ঘটেছে।
দীর্ঘ সারে তিন বছরের প্রেম ভালবাসায় উক্ত ইউনিয়নের পশ্চিম বালাগ্রামের মাইজালীপাড়ার জয়নাল আবেদীনের মেয়ে শাহনাজ আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের আব্দার রহমানের ছেলে তারাজুল ইসলাম লিটনের বিয়ে হয় ।
মেয়েটি জানায় ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে প্রথমে এবং ২১ ডিসেম্বর কাজীর ও মওলানার মাধ্যমে কাবিনমুলে তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ে হবার পর তারা জলঢাকা শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিল। এ অবস্থায় স্বামীর বড় ভাই মারা গেলে আমাকে রেখে সে নিজ বাড়ি ফিরে যায়। এরপর আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এখন শুনছি সে তার বিধবা ভাবীকে বিয়ে করবে। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়েছি।
এদিকে ওই মেয়ের স্বামীকে পাওয়া না গেলেও তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায় আমার ভাইয়ের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে হয়েছিল যেমন সত্য,তেমনি ওই বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে আমার ভাই। এ জন্য গত ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিয়ে বিচ্ছেদের কাগজ মেয়েটির নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়। তবে বিয়ে বিচ্ছেদের কোন কাগজ পেয়ে পায়নি বলে জানায়।
এ ব্যাপারে বালাগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন জানায় উভয় পক্ষকে বসে ঘটনাটি সমাধানের জন্য বলেছি।