মোহাম্মদ সাইফ: ২০০০ সালে মঞ্চে আসে মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়ের নাটক ‘শিবানী সুন্দরী’। তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ ১৬ বছর।দীর্ঘ বিরতির পর আজ শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নাটকটি আবারো মঞ্চস্থ হয়। এটি রচনা করেছেন সালাম সাকলাইন, নির্দেশনা দিয়েছেন দেবাশীষ ঘোষ।
২০০০ সালে শুধু মাত্র নাটকটি মঞ্চায়ন হলেও এইবার নাটকটির মাঝে স্থান করে নিয়েছে পুতুল নাটকও।থিয়েটারে নাটকের মাঝে পুতুল নাটক প্রদর্শনী এই প্রথম।নাটকের এক অভিনেতা তারকেশ্বর তারক সি সি নিউজ কে জানান,” তাই নাটকটি এইবার দেশ ছাড়িয়ে থাইল্যান্ড এর মাটিতেও হতে যাচ্ছে”।
নাটকটি প্রেমে ভরপুর হলেও শেষ পর্যন্ত এক অসমাপ্ত প্রেমের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
নাটকের গল্পে – সোনামতি শহরে বনিক মনোহরের কন্যা শিবানী সুন্দরী রূপেগুণে অনন্যা। ঋষি সদানন্দর পুত্র নন্দকুমারকে ভালোবাসেন তিনি।ঋষি পুত্রও ভালোবাসেন রাজকন্যা কে।তাদের ভালবাসা শিবানীর বাবা মেনে নিলেও ঋষি সদানন্দ এই সম্পর্কের কথা জেনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন। কারণ তাঁর ইচ্ছে নন্দ তাঁরই মতো সন্ন্যাস ধর্ম গ্রহণ করুক। নন্দ ঋষির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঋষি তাঁকে আশ্রম থেকে বিতাড়িত করেন, নন্দ মনের কষ্টে ঋষি ও শিবানী থেকে অনেক দূরে জঙ্গলে চলে যায়।নন্দর খোঁজে শিবানীও জঙ্গলে গেলে সেখানে সে এক জাদুকরের খপ্পরে পরে…….
শেষ পর্যন্ত তাদের প্রেম অসমাপ্তই থেকে যায়।
নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে রূপ দিয়েছেন সুরেলা নাজিম, বেবী শিকদার, ফারুক আহমেদ সেন্টু, বাবু স্বপ্নওয়ালা, রিফাত, বিপ্লব, মো. জাহাঙ্গীর, রাহুল, বাধন, মীর জাহিদ হাসান, মৈত্রী সরকার, সামিউল জীবন, সারমীন সুলতানা আশরা, শিবলী সরকার, সৈয়দ ফেরদৌস ইকরাম, সুফিয়া খানম শোভা, রাজিব হোসেন, তারকেশ্বর তারোক, শাহরিয়ার হোসেন পলিন, কবির আহমেদ, আসাদুজ্জামান রাফিন, ইকবাল চৌধুরী, ফারাবী আকন্দ হীরা ও সাইমুন।
মহাকাল নাটকের নেপথ্য শিল্পীরা হলেন- রচনায় সালাম সাকলাইন, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় দেবাশীষ ঘোষ, পুতুল নাচ নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণে খেলু মিয়া, মঞ্চ পরিকল্পনায় যুনায়েদ ইফসুফ, সুর ও গান রচনা এবং আবহ সংগীত পরিকল্পনায় শিশির রহমান, আলোক পরিকল্পনা, প্রপস পরিকল্পনা ও নির্মাণ পলাশ হেনড্রি সেন, পোশাক পরিকল্পনায় শিশির সবুজ, কোরিওগ্রাফিতে ফারাবী আকন্দ হীরা, রূপসজ্জা পরিকল্পনায় শুভাশীষ দত্ত তন্ময় এবং প্রযোজনা অধিকর্তা মীর জাহিদ হাসান।