• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র ও হিসাব রক্ষক কক্ষের তালা খুলে দেয়া হয়েছে

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র, সহকারী প্রকৌশলী ও হিসাব রক্ষক কর্মকর্তার অনিয়ম-দূনীতি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেয়র ও হিসাব রক্ষক কর্মকর্তার রুমের তালা খুলে দেয়া হলেও সহকারী প্রকৌশলীর রুমের তালা খুলে দেয়া হয়নি।
সোমবার দুপুরে কাউন্সিলরদের এক জরুরী তদন্ত কমিটি গঠনের পর বিকেল ৩ টায় মেয়র ও হিসাব রক্ষক কর্মকর্তার রুমের তালা খুলে দেয়া হয়।
দিনাজপুর পৌর সভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র আহমেদুজ্জামান ডাবলুর সভাপতিত্বে সোমবার এক জরুরি বৈঠক পৌরসভার ফাতেহুল আলম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক তদন্ত কমিটিতে ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু তৈয়ব আলী দুলালকে আহবায়ক ও সকল কাউন্সিলরদের সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি আগামী ৭ দিনের মধ্যে অনিয়ম দূনীর্তি তদন্ত করে রিপোর্ট তৈরি করে মেয়রের সাথে আলোচনা করবেন। আলোচনায় চলমান পরিস্থিতি সুরাহা না হলে তদন্ত কমিটিতে থাকা ১৬ জন কাউন্সিলর স্বাক্ষরিত তদন্ত রিপোর্ট মন্ত্রনালয়ে প্রেরণের করা হবে। পরে তদন্ত কমিটি মেয়র ও হিসাব রক্ষক কর্মকর্তার রুমের তালা খুলে দিলেও সহকারী প্রকৌশলীর রুমের তালা খুলে দেয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, গত রোববার বিগত মাসিক সভার সিদ্ধান্ত শোনার পর পরই ১২নং ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। এ সময় দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী প্রকৌশলী মো. বদিউজ্জামান ফারুকী, প্রধান হিসাব রক্ষণ অফিসার জাহিদুল হক, সহকারী হিসাব রক্ষক মো. আব্দুর রাজ্জাকের দুর্ণীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায় টেবিল চেয়ার ফিকে মারা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজন পৌরবাসী যুবককে নিয়ে মেয়র জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী প্রকৌশলী মো. বদিউজ্জামান ফারুকীর কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। পরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ