• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মিতুর সিম মিলল ভোলার রিকশাচালকের কাছে

সিসি ডেস্ক : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুর মোবাইল সিমটি ভোলার এক রিকশাচালকের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মিতু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. কামরুজ্জামান জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার ভোলার লাল মোহন উপজেলা থেকে সিমটি উদ্ধার করে। রিকশা চালকের কাছ থেকে সিমটি উদ্ধার করা হলেও মিতুর মোবাইল ফোনটি তার কাছে পাওয়া যায়নি বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। ওই লোক চট্টগ্রামে রিকশা চালাতেন। নগরীর বাকলিয়া এলাকার রাস্তায় কয়েকমাস আগে তিনি সিমটি খুঁজে পান বলে দাবি করেছেন।

চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার থেকে পদোন্নতি পেয়ে বাবুল আক্তার এসপি হয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে যাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে খুন হন তার স্ত্রী। গতবছর ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডে সন্তানের সামনে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় মাহমুদা আক্তার মিতুকে। এ ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও পুলিশ হত্যাকণ্ডের কারণ জানাতে পারেনি আট মাস পরও। ওই ঘটনায় বাবুল আক্তারের করা মামলার তদন্তের মধ্যেই বাবুল আক্তার নিজে, তার বাবা-মা ও মিতুর বাবা-মা বিভিন্ন সময়ে চট্টগ্রাম এসে তদন্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করেছেন। গত ২৬ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করে মিতুর মা সাহেদা মোশাররফ নীলা সাংবাদিকদের বলেন, মিতুর মোবাইল ফোনটি এখনও সচল আছে বলে তারা তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়ছ্নে। ঢাকার এক অটোরিকশা চালাক মোবাইল সিমটি ব্যবহার করছেন এবং তার সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও তিনি জানান। তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, ঠিক কোন সময়ে ওই রিকশাচালক সিমটি পেয়েছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। পেশায় রিকশা চালক হলেও মাঝে মাঝে অটোরিকশা চালান বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি। তবে ওই রিকশাচালককে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জানান।

উৎস: করতোয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ