চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকের পল্লীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষে অন্তত ২০ব্যাক্তি আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জানা যায়, রাধানগর গ্রামের চুনু মিয়ার দোকান থেকে সিগারেট ক্রয় করতে যায় একই গ্রামের খালেদ মিয়া। এ নিয়ে দোকানদার চুনু মিয়ার ভাগনে আজমান আলীর সাথে সিগারেটের মূল্য নিয়ে শুক্রবার সন্ধায় বাক-বিতন্ডা হয় খালেদ আহমদের। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য দিদার আলমসহ গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ শালিসের উদ্যোগ গ্রহন করেন। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল শনিবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছে।
গুরুতর আহত হোসেন মিয়া (২৮), ব্যবসায়ী চুনু মিয়া(৪০), নুর মিয়া(৩০) ও পামেল(২১), কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সিএনজি চালক মুহিব(২৪), আব্দুস সালাম(২৯), কালা মিয়া(২৫)সহ আনান্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। খবর পেয়ে ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গয়াস আহমদ ঘটনাস্থলে পৌছে বিষয়টি শালিসে নিস্পত্তির জন্যে উভয়পক্ষের মতামত আদায় করেন বলে জানাগেছে।
ছাতকে আন্ত:জেলা ডাকাতচক্রের সদস্যসহ দু’জন গ্রেফতার
ছাতকে আন্ত:জেলা ডাকাতচক্রের সদস্য কাহারস দু’পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই তরিকুল ইসলাম ও এসআই আবু আফসার ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের খাগামুড়া গ্রামের ছমেদ আলীর পুত্র আন্ত:জেলা ডাকাতচক্রের সদস্য আব্দুল কাহার (৩৫) ও চরমহল্লা ইউপির মনিয়ারচর গ্রামের গোলাম মোস্তফার পুত্র আব্দুর রউফ (৪৫)। আব্দুল কাহারকে শনিবার বেলা আড়াইটায় গোবিন্দগঞ্জ থেকে ও আব্দুর রউফকে শুক্রবার রাতে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। আব্দুর রউফ মনিয়ারচর গ্রামের হারিছ আলীর পুত্র দুবাই প্রবাসি নূরুল হক নূরির স্ত্রীর শ্লীলতাহানির মামলার পলাতক আসামি বলে জানা গেছে। এছাড়া আব্দুল কাহারের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথে ব্যাংক ডাকাতিসহ বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন থানায় চুরি-ডাকাতিসহ অন্যান্য গুরুতর অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ আশেক সুজ মামুন আটকের কথা স্বীকার করেছেন।
ছাতকের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
ছাতকের চরমহল্লা ইউনিয়নের বল্লভপুর ভাই ভাই স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্টিত হয়েছে। খরিদিচর রয়েল স্পোর্টিং ক্লাব ও বল্লভপুর ভাই ভাই স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে ফাইন্যাল ম্যাচ অনুষ্টিত হয়। ১মার্চ অনুষ্টিত ফাইনাল ম্যাচে বল্লভপুর ১-০ গোলে বিজয়ী হয়েছে। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট সমাজসেবী আছলম আলী। বল্লভপুর ভাই ভাই স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মঞ্জুর আলমের পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চরমহল্লা ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল হাসনাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য নূরুজ্জামান, আব্দুল মতিন, গিয়াস উদ্দিন, নূর মিয়া, সমাজসেবী আনফর আলী, ময়না মিয়া, কবির আহমদ, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আবুল খয়ার, আফতাব আী, আব্দুল কাহার, নজম উদ্দিন, চমক আলী, সামছুল হক, নজির আহমদ, অব্দুল আহাদ, ফখর উদ্দিন, জিল্লুর রহমান, আব্দুল হামিদ, আব্দুল ওয়াহাব। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কামাল, মাসুক, রফিক, দিলোয়ার, আনসার আলী, আবু বকর, আনছার মিয়া, আতিকুর রহমান, ভাই ভাই স্পোর্টিং ক্লাবের সহ-সভাপতি আবু তাহের খালেদ, সহ-সেক্রেটারী গোলাম রব্বানী, কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম, সদস্য আবদুল মুকিত, ছালিক, কাওছার, এমাদ, রেজা, শাহিন আলম, আকিল, শাকিল, আবদুল আলিম, মনির, আবু সাইদ, হাফিজুর রহমান, আবিদুর, অলি, ইয়াছিন, অলিউর, হুমায়ূন, সাইফুল, নূর আহমদ, মনির, শাহাব উদ্দিন, উজ্জল, আফজল প্রমূখ। খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নাইজেরিয়ান কৃতি ফুটবলার শেগু, ম্যান অব দ্যা সিরিজ সায়েদ আহমদ ও বিজয়ী দলের অধিনায়ক মাহবুবুর রহমান এংরাজকে বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়। খেলা পরিচালনা করেন, আব্দুল বাছিত। তাকে সহযোগিতা করেন রিপন আহমদ ও জুয়েল আহমদ। অনুষ্টান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত। ১ম পুরষ্কার একটি এলইডি টিভি দাতা লন্ডন প্রবাসি মানিক মিয়া, ২য় পুরষ্কার ১৪ইঞ্চি রঙ্গিন টিভি দাতা কমিটি ও ৩য় পুরষ্কার ২৪ইঞ্চি ট্রফি দাতা সৌদি আরব প্রবাসি আফতাব আলী।