• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সোয়া কোটি ভোটারের স্মার্টকার্ড অনিশ্চিত

সিসি নিউজ: ১ কোটি ১৭ লাখ ভোটারের উন্নতমানের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কবে নাগাদ মফস্বলের প্রায় সোয়া কোটি ভোটাররা স্মার্টকার্ড পাবেন সেই সিদ্ধান্ত আসতে পারেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ১০ কোটি ১৭ লাখ ভোটারের মধ্যে এ বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ কোটি ভোটারকে স্মার্টকার্ড প্রদান করার সিদ্ধান্ত আছে। বাকি ভোটারদের নিজস্ব অর্থে কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে চলতি বছরের মধ্যে ৯ কোটি ভোটারের কার্ড প্রদান করা সম্ভব হবে-কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় করেছেন স্বয়ং ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
ইসি সচিব বলেছেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ কোটি ভোটারের জন্য স্মার্টকার্ড প্রদান হয়তো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে যেভাবে কার্ড বিতরণ চলছে এ গতি অব্যাহত থাকলে ৯ কোটি ভোটারকে কার্ড দিতে ৭ বছরের বেশি সময় লাগবে। তবে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি যথাসময়ে কার্ড প্রদানের জন্য। বাকি ১ কোটি ১৭ লাখ ভোটারের কার্ড নিজস্ব অর্থায়নে প্রদান করা হবে। কখন বা কবে থেকে তাদের কার্ড দেয়া হচ্ছে -সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান ইসি সচিব।
ইসির সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে যেভাবে কার্ড ছাপানোর কাজ চলছিল তা খুব ধীরগতির। আগামী সপ্তাহ থেকেই প্রতিদিন দেড় লাখ করে কার্ড তৈরি করা হবে। এক্ষেত্রে স্মার্টকার্ড বিতরণের ব্যপ্তি আরো বাড়বে। বর্তমান পেক্ষাপটে সব মানুষকে স্মার্টকার্ড সরবরাহ করার মতো লোকবল, প্রযুক্তিগত সাপোর্ট নেই ইসির। বর্তমানে যে অবস্থা তাতে ৯ কোটি কার্ড বিতরণ করতে ২০১৮ সাল নাগাদ ছাপাতেই সময় লাগবে বলে অভিমত ইসি সচিবের। তিনি আরো বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সব সময় প্রান্তিক। তাই সেখানে কার্ড পৌঁছাতেও আরেকটুি সময় লাগবেই।
বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর ইনহ্যান্স একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটি ভোটারকে স্মার্টকার্ড প্রদান করা হবে। গত বছরের ৩ অক্টোবর থেকে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্মার্টকার্ড প্রদান শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ঢাকার উত্তরা ও রমনা থানায় এবং কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ছিটমহল দাশিয়ার ছড়াতে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হয়। ৯ কোটি স্মার্টকার্ড বিতরণের সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি, দ্বিতীয় পর্যায়: খুলনা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন তৃতীয় পর্যায়:৬৪টি সদর উপজেলা চতুর্থ পর্যায়:বাকি সব উপজেলা নির্ধারিত সময়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এবং মাইকিং, ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে প্রচারের মাধ‌্যমে বিতরণের দিন তারিখ ও স্থান জানিয়ে দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। স্মার্টকার্ড বিতরণের যে পরিকল্পনা করা হয়েছে সেই পরিকল্পনার আওতায় এক প্রকার মফস্বলের ভোটাররা পড়ছেন না। অর্থাত্ স্মার্ট বিতরণের শেষে অবশিষ্ট যে ১ কোটি ১৭ লাখ ভোটার থাকবে তার সবই মফস্বলের ভোটার। ৯ কোটি ভোটারের হাতে বিনামূল্যের জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড তুলে দিতে ৮৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরে ইসি। অর্থাত্ প্রতিটি স্মার্টকার্ড বিতরণে খরচ ধরা হয়েছে সাড়ে ৯ টাকা।
ইত্তেফাক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ