ডেমরা প্রতিনিধি: সিদ্ধিরগঞ্জ অগ্রনী ব্যাংক ডেমরা শাখায় গ্রাহককে হয়রানী করার অভিযোগ করেছেন ব্যাংকে নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উঠাতে আসা কয়েকজন গ্রাহক। শাখা ব্যবস্থাপক এর ব্যাংকে দেরীতে আসা এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার অসৈজন্যমুলক আচারন ও ঘুষ বানিজ্যসহ নান অভিযোগ গ্রাহকদের। রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, অগ্রনী ব্যাংক ডেমরা শাখায় দেখা যায় সকাল ১০টায় অফিসে আসার কথা থাকলেও ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক এসেছেন দুপুর ১২টায়। গ্রাহকদের তার কক্ষে এবং কক্ষের বাহিরে আপেক্ষা করতে দেখা গেছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তা জানান শাখা ব্যাবস্থাপক প্রায়ই দেরীতে আসেন। এসময়ে ব্যাংকে টাকা উঠাতে এবং জমা দিতে প্রচন্ড ভীর লেগে যায়। এ সুযোগে অসাধু কর্মকর্তারা ঘুষের বিনিময়ে অনেকের সাথে লেনদেন করছে।
উক্ত ব্যাংক গ্রাহক মো. হারুন-অর-রশিদ তার নিজ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স জানতে ক্যাশিয়ার হাবিবুর রহমান কে বললে তিনি এখানে ব্যালেন্স জানানো হয়না বলে জানিয়ে দেন। পর পর ৩ কর্মকর্তার কাছে ব্যালেন্স জানতে চাইলে একই উত্তর পাওয়া যায় বলে জানান মো. হারুন-অর-রশিদ। অন্য এক মহিলা গ্রাহক নতুন চেক নিতে এসে নিতে পারেনি তাকে ২ দিন পরে আসতে বলা হয়েছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, এই ব্যাংকে ডেমরা থানাধীন সকল এমপিও ভ’ক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারী বেতন জমা হয়।দীর্ঘ দিন ধরে তারা চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন। ব্যাংকে বেতন উঠাতে আসা এক শিক্ষক জানান সরকারী বেতন কোন দিনও নির্দিষ্ট সময়ে উঠাতে পারিনা কারন ব্যাংক কর্মকর্তারা শিক্ষকরদর নিজ আ্যকাউন্টে টাকা জমা করতে দেরী করেন। যারা ঘুষ দেন তাদের টাকা আগে উঠাতে পারেন বলে জানান শিক্ষক।
এবিষয়ে অগ্রনী ব্যাংক ডেমরা শাখা ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি তার ব্যাংকে কোন গ্রাহক হয়রানী হয়না বলে জানান। তার দেরীতে আসার কারন জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে তার সাথে দেখা করতে বলেন।