• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কফি আনানের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের অন্তবর্তী রিপোর্টে রাখাইন প্রদেশে সংকট দূর করার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অন্তবর্তী রিপোর্টটিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাস প্রতিরোধের জন্য দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা থাকা প্রয়োজন।
এছাড়া রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব, অবাধ চলাচল এবং মিয়ানমারের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব বিষয়েও সুপারিশ করেছে গত বছরের সেপ্টেম্বরে গঠিত এ কমিশন। চলতি বছরের আগস্টে পূর্ণ রিপোর্ট দেবে তারা।
রাখাইন অ্যাডভাইজরি কমিশন সুপারিশে বলেছে, নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার পাশাপাশি তাদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে মিয়ানমারকে।
সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের রাজনৈতিক অঙ্গনের উচ্চপদস্থ নেতা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিশন গঠন করা উচিত। তাদের কাজ হবে সুষ্ঠু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে সহায়তা করা।
কফি আনান কমিশনের সুপারিশে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গারা ফিরে যাওয়ার পর তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঘরবাড়ি তৈরি করে দিতে হবে মিয়ানমার সরকারকে। সেখানকার রাজনৈতিক পন্থায় মুসলিমদের প্রতিনিধিত্বেও চরম ঘাটতি আছে বলে মনে করে এই কমিশন। এ কারণে অনতিবিলম্বে মিয়ানমার সরকারের উচিত সবার সঙ্গে আলোচনা করে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যার মাধ্যমে দেশটির মুসলিমরা নিজেদের কথা বলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ অক্টোবরের পর রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর হামলায় শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়। এছাড়া হাজার হাজার রোহিঙ্গা গৃহহারা হয়েছে এবং ৭০ হাজারেরও বেশি নির্যাতিত রোহিঙ্গা পালিয়ে চলে এসেছে বাংলাদেশে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ