কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের পান্থাপাড়া গ্রামে সন্ত্রাসীদের হামলায় মমিনুর রহমান (৩৪) দম্পতিসহ ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে। এঘটনায় আহত মমিনুর রাজারহাট থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মমিনুরকে লাঞ্চিত করে।
এলাকাবাসী জানায়, গত ১৭ মার্চ মমিনুর রহমান স্ত্রী শেফালী বেগম (২৫) ও ফুফু ছালেহা খাতুনসহ শশুর বাড়িতে যাওয়ার সময় পান্থাপাড়া এলাকায় রাস্তায় আটকিয়ে লাল মিয়া, মল্লিকা বেগম, নাজমা বেগম ও মহব্বতসহ ৮ থেকে ১০ জন তাদের উপর হামলা চালায়। এঘটনায় মমিনুর রহমান আহত হলে এলাকাবাসী তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়।
পরে ১৯ মার্চ মমিনুর রহমান সুস্থ হয়ে তার পিতা আব্দুল বারী ও ফুফুসহ রাজারহাট থানায় মামলা করতে গেলে থানার ওসি (তদন্ত) মামলা নিতে গড়িমসি করেন এবং মামলা নিতে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন বলে অভিযোগ করেন মমিনুর রহমান। এ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মমিনুর রহমানকে থানায় লাঞ্চিত করে থানায় আটক রাখা হয়।
পরে জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুস ছালাম ও উমর মজিদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহম্মদ আলী সরদারের মধ্যস্থতায় সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে মমিনুরকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এ নিয়ে ঐ এলাকায় মানুষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচার দাবী করেছেন।
এ ব্যাপারে রাজারহাট থানার ওসি (তদন্ত) পলাশ চন্দ্র দেব এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, মমিনুর রহমান থানায় এসে মামলা নিতে চাপ প্রয়োগ করে অশ্লিল ভাষার কথা বার্তা বলা শুরু করলে ইউপি চেয়ারম্যানের কথা বলে তাকে থানায় রাখা হয়। পরে চেয়ারম্যানের এসে তাকে নিয়ে যায়।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোকলেছুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। কোন অভিযোগও আমি পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।