সিসি ডেস্ক: বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর হামলাকারীর সঙ্গে থাকা অবিস্ফোরিত উদ্ধার বোমা নিষ্ক্রিয়ের সময় স্প্লিন্টারের আঘাতে পুলিশ বক্সের পেছনে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।শুক্রবার (২৪ মার্চ) দিনগত রাতে সরেজমিন দেখা যায়, আল-আমিন নামের ওই রেস্তোরাঁর কাচ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে। স্প্লিন্টারের আঘাতে সিলভারের হাড়িতে বড় বড় ছিদ্র হয়েছে।
শুধু তাই নয়, হোটেলে খাবার সাজিয়ে রাখা গ্লাস ঘেরা লম্বা ফ্রিজ চুরমার হয়ে গেছে। স্প্লিন্টারের আঘাতে এমন কিছু নেই যার কোনো ক্ষতি হয়নি। হোটেলের সামনে পড়ে রয়েছে বিভিন্ন স্প্লিন্টার।
প্রথমধাপে তিনটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে। আর দ্বিতীয়ধাপে একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করা সময় এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, কনস্টেবল আলমগীর, পান বিক্রেতা নুর জাহান বেগম, মদিনা রেস্টুরেন্টের ওয়াচম্যান মিল্লাত মিয়া, জাকির হোসেন ও বাবুর্চি ফয়সাল আহমেদ এবং লেখক মোহিয়ান মঈন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, রাত ১২টার দিকে কনস্টেবল আলমগীরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বাকিদের রাত দেড়টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ নিয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, আহতরা সবাই দ্বিতীয়ধাপে বোমা নিস্ত্রিয় করার সময় স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হয়েছেন। তবে তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দর পুলিশ বক্সে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় এক যুবক। এতে আত্মঘাতী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তার বয়স আনুমানিক ২৩-২৫ বছর। পরনে জিন্স প্যান্ট ও ফুলহাতা শার্ট। এছাড়া ঘটনাস্থলে একটি ট্রাভেল ব্যাগ পাওয়া গেছে।