• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জঙ্গি আস্তানায় নিহত ৭ জনই দিনাজপুরের

দিনাজপুর : মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় নিহত ৭ জন একই পরিবারের। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ডাঙ্গা গ্রামের লোকমান আলী ও তার স্ত্রীসহ ৫ সন্তান বলে ধারণা করছেন তার শ্বশুর একই উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের আবু বকর সিদ্দিক।

গত ৩০ মার্চ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাসিরপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত সাতজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিভিন্ন সূত্রে খোঁজ নিয়ে উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামের লোকমান আলীর শ্বশুর আবু বকর সিদ্দিকের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যদের বিমর্ষ অবস্থায় দেখা যায়।

আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘২৯ মার্চ রাত ১টার দিকে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। কল রিসিভ করার পর আমার বড় নাতনি মোছা. আমেনা খাতুনের কণ্ঠ শুনতে পায়, যাকে লোকমান আলী ২ মাস আগে বগুড়ায় বিয়ে দিয়েছেন। ফোনে তার নাতনি দু-একটি কথা বলার পর তার মা মোছা. শিরিনা আক্তারের হাতে দেয়। শিরিনা আক্তার আমার সঙ্গে প্রায় ৩০ মিনিট কথা বলে। শিরিনা আক্তার জানিয়ে দেয়- আপনারা আমাদের ক্ষমা করবেন। আমাদের সঙ্গে আর কোনোদিন দেখা হবে না। তখন আমি বলি, কয়েকদিন আগেই তোমার নামে আমি ১ বিঘা জমি দিয়েছি। তুমি কোথায় আছো, একটু ঠিকানা বল- আমি সেখান থেকেই তোমাদের নিয়ে আসবো। মেয়ে জানিয়েছিল আমাদের যাওয়ার কোনো উপায় নেই। এ সময় আমি বুঝতে পেরেছিলাম পাশেই জামাই লোকমান আলী আছে। পরে বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদে বুঝতে পারি মৌলভীবাজার জঙ্গি আস্তানায় নিহত ৭ জনই আমার মেয়ে-জামাই ও নাতনিরা।’

আবু বকর সিদ্দিকের ধারণা অভিযানে নিহতরা হলো, লোকমান হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী মোছা. সিরিনা আক্তার (৩০), বড় মেয়ে আমেনা খাতুন (২১), সুমাইয়া (১২), মরিয়ম (১০), ফাতেমা (৭), খাতিজা (৭ মাস)।

দিনাজপুর পুলিশ সুপার হামিদুল আলম প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ