ঢাকা: ধামরাইয়ে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে স্বামী-সন্তান ফেলে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন এক নারী ইউপি সদস্য। এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে কয়েক হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন তরুণ ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম পলাশের (২৩) বাড়িতে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে পুৃলিশ।
ঢাকার ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের এই ঘটনা এখন দিনের সেরা ঘটনায় পরিণত হয়েছে গোটা এলাকায়।
এলাকাবাসী বলছেন, ওই এলাকায় সুরুজ মিয়ার ছেলে আব্দুল আলিম পলাশের সাথে একই ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সীর (৩০) সাথে এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল।
ইউপি সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রিয়সীর অভিযোগ, বয়সে সাত বছরের ছোট সত্ত্বেও পলাশের প্রলোভনে স্বামী সন্তান রেখে তার সাথেই দীর্ঘসময় ধরে গোপন অভিসার চলছিল। এক পর্যায়ে পলাশই তাকে গ্রাম থেকে স্বামী পিন্টুর মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া করত পলাশ।
পলাশ গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাকে বিয়ে করে। কিন্তু পরিবার তাকে মেনে না নিলে পলাশ প্রেয়সীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে।
এর বিহীত করতেই গত বৃহস্পতিবার থেকে পলাশের বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশন শুরু করেন প্রিয়সী।
প্রিয়সী আরও বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নিবে সে পর্যন্ত আমি এই বাড়িতেই অবস্থান করব। আর তা না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় থাকবে না।
পলাশের চাচা চান মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে প্রিয়সীকে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল আলিম পলাশ মুঠোফোনে বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। তবে প্রিয়সীর সাথে তার সম্পর্ক ও ধামরাইতে বাসা নিয়ে দেবার কথা স্বীকার করেন।
যোগাযোগ করা হলে ধামরাই থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, ওই নারী থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।