• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সাংবাদিকতা আর পুলিশি তদন্ত এক বিষয় না

।। সঞ্জয় দে ।। বনানী ধর্ষণ মামলায় সাংবাদিকতা নিয়ে যেসব অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে তার অনেক কিছুই আমার কাছে পরিষ্কার নয়। ধর্ষণে অভিযুক্তদের নিয়ে সংবাদ পরিবেশনে যে কল্পিত নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে আমি তার কোনো প্রমাণ অন্তত নিজে দেখিনি। আমার ফেসবুকে যেসব সাংবাদিক বন্ধু আছেন তাদের আলাদা অভিজ্ঞতা থাকলে দয়া করে জানিয়ে আমাকে উপকৃত করতে পারেন।

অভিযুক্ত সবার পূর্ণ পরিচয় পেতে কেন দেরি হচ্ছে সেটির দায় মূলত তদন্তকারী সংস্থা, এর জন্য সাংবাদিকতাকে যারা দায়ী করছেন তারা সম্ভবত পুলিশের দায়িত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতাকে গুলিয়ে ফেলেন।

মজার দিক হচ্ছে এ বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপনকারীদের মধ্যে এমন মানুষও আছেন যারা নিজেরাই সাংবাদিকতায় যুক্ত। আপনাদের যদি প্রশ্ন থাকে তাহলে উত্তরটিও তো আপনাদের জানা। কোনো অসঙ্গতি থাকলে সেটি না জানিয়ে শুধু প্রশ্ন ছুড়ে ফেরেশতা সাজছেন কেন?

অ্যাক্টিভিজম আর সাংবাদিকতার দূরত্ব অনেক, আবার সংবাদ মাধ্যম কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও নয়। নিজের অফিসে এমন একজনও পাইনি যার মধ্যে বনানীতে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে বা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চান না। তাদের বেশিরভাগ নিজেদের ফেসবুকেও সোচ্চার, কিন্তু প্রতিবেদনের সময় ঠিকই দুই পক্ষের বক্তব্য প্রচারে জোর দেয়া হয়। এটাই সাংবাদিকতা আর স্যোশাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভিজমের পার্থক্য।

দুটি ক্ষেত্রের তফাৎ না বুঝে বিমূর্ত অভিযোগ তুললে দুই পক্ষেরই ক্ষতি। যার একটি আতঙ্কজনক ফলাফল এবারই দেখা যাচ্ছে। ‘জনচাহিদা’ মেটাতে অনেক প্রথিতযশা সংবাদ মাধ্যমও হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। সেখানে ধর্ষণ ঘটনার রগরগে বিবরণ প্রকাশিত হচ্ছে, মূল ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কহীন ‘খবর’ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভয় পাচ্ছি শেষপর্যন্ত ধর্ষণের মামলাটিই ‘জনচাহিদা’র খবরের নিচে চাপা পড়ে কি না।

লেখক: বার্তা সম্পাদক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ