• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দিনাজপুরে ভুয়া পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন খায়রুল আলম!

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর সদর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের মৃত জান মোহাম্মদের ছেলে মো. খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ না করেও ভুয়া পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা সেজে নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সদস্য সচিব, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি, দিনাজপুর সদর বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরই ভাই মৃত- জান মোহাম্মদের ছেলে ভালে মোহাম্মদ। লিখিত অভিযোগে ঘটনা তদন্ত করে ওই ভূয়া পঙ্গু/অ-মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা হতে তাঁর নাম বাদ দেয়ার দাবী জানানো হয়েছে। ওই অভিযোগের কপি প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়ের করা লিখিত অভিযোগ ভালে মোহাম্মদ জানান, আমি সদর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও মো. খায়রুল ইসলামের সহোদর ভাই। খায়রুল ইসলাম, গেজেট নং-৫৭৯, পিতা- মৃতঃ জান মোহাম্মদ, গ্রাম কাশিমপুর, ডাকঘর- চেরাডাঙ্গী, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর একজন ভূয়া পঙ্গু/অ-মুক্তিযোদ্ধা। আমি দেশপ্রেমিক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে অভিযোগ উত্থাপন করছি, যুদ্ধের সময় গরুর গাড়ীতে ধান ছাটাই করতে যাওয়ার সময় এন্টি পার্সোনাল মাইন বিস্ফোরিত হয়ে তাঁর একটি পা পঙ্গু হয়ে যায়। তখন তাঁর বয়স মাত্র ৮ (আট) বছর এবং তার যুদ্ধ করার বয়স হয়নি। সে কখনো ভারতে যায়নি ও কখনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি।
অভিযোগে তিনি আরো জানান, খায়রুল আলম কেমন করে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন তা এলাকার কেউ জানে না। ইতিপূর্বে সে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট্র হতে যুদ্ধাহত রাষ্ট্রীয় ভাতা গ্রহণ করেছিল। স্থানীয় লোকজন ও মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ করার কারণে তার কল্যাণ ট্রাষ্টের যুদ্ধাহত রাষ্ট্রীয় ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। চারদলীয় জোট সরকারের শাসনামলে প্রচুর অর্থের বিনিময়ে গেজেটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করে এবং সম্মানী ভাতা নিতে সক্ষম হয়।
অভিযোগে তিনি আরো জানান, যে ব্যক্তি ভারতে কোন ইয়ুথ ক্যাম্পে ছিল না এবং কোন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেনি সেই ব্যক্তি কিভাবে মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে এটি আশ্চর্যের বিষয়। সে যে অর্থের বিনিময়ে গেজেটে তার নাম অন্তর্ভক্ত করেছে তার সংগৃহীত কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করলেই এটি প্রমানিত হবে সে একজন ভুয়া পঙ্গ/ অ-মুক্তিযোদ্ধা।
এ ব্যাপারে ভূয়া পঙ্গু/অ-মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল ইসলামের নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকা হতে বাতিল করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবী জানিছেন ভালে মোহাম্মদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ