রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বুধবার সন্ধ্যায় এক যুবকের লাশ তিস্তা নদীতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। অবশেষে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেছে। ওই রাতেই পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাজারহাট থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রংপুর সদরের মমিনপুর (পালপাড়া) এলাকার নিবারণ চন্দ্রের পুত্র বাহাদুর চন্দ্র (১৯) গত রোববার রংপুর আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এর পর থেকে বাহাদুর চন্দ্র আর বাড়ি ফিরেনি। বুধবার সন্ধ্যায় তিস্তা নদীতে উজান থেকে ভেসে আসা অজ্ঞাত ২০/২২বছর বয়সী ওই যুবকের লাশ উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট চরে আটকা পড়ে। স্থানীয় লোকজন লাশটি দেখে চিৎকার দেয়। এ সংবাদ দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ লাশটি শনাক্ত করতে ছুটে আসে। কিন্তু ততক্ষণে ওই লাশের পরিচয় মিলেনি। খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট করার পর ময়না তদন্তের জন্য রাতেই কুড়িগ্রাম মর্গে প্রেরণ করে। লাশটি ভেসে আসার সময় লাশটির পড়নে লাল রংয়ের টি শার্ট ও কালো প্যান্ট ছিল। লাশটির মুখমন্ডলে এসিড নিক্ষেপ করে ঝলসে দেয়ায় চেনা সম্ভব হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ লাশের শরীর থেকে একটি মোবাইল ফোন, দেড়হাজার টাকা, কিছু কাগজপত্রসহ ভিজিটিং কার্ড ও একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি উদ্ধার করেছে। এরই সূত্র ধরে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ। এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, বুধবার রাতেই উদ্ধার হওয়া লাশের পরিবারের লোকজন থানায় এসে লাশ শনাক্ত করে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে তারা কোন এজাহার বা অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।