• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওয়েজ কমিশনের রিপোর্ট পেশ

সিসি ডেস্ক: ‘ন্যাশনাল ওয়েজ অ্যান্ড প্রোডাক্টিভিটি কমিশন রিপোর্ট-২০১৫’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মঙ্গলবার জমা দেওয়া হয়েছে।

ওয়েজ কমিশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই রিপোর্ট হস্তান্তর করেন। এই রিপোর্টে ৬টি সেক্টরের ৯১টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ৬০ হাজার শ্রমিকের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় শ্রমমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, শ্রম সচিব মিকাইল শিপার, মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং ১৮ সদস্যের ওয়েজ কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

যথা সময়ে রিপোর্ট পেশ করায় এ সময় প্রধানমন্ত্রী কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। এই রিপোর্ট বাস্তবায়নের জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করবে বলেও প্রধানমন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন।

কমিশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, শ্রমিকদের থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই এই রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে তাদের জন্য বেতন-ভাতার ১৬টি ধাপ প্রস্তাব করা হয়েছে।

রিপোর্ট গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে এবং উন্নত এক বেতন কাঠামোর প্রবর্তন করেছে। যা ভবিষ্যতে কেউ চাইলেই পরিবর্তন করতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এটা যে আমাদেরই দেশ এটা সবার চিন্তা-ভাবনায় থাকা উচিত, কাজেই এই দেশকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। যেখানে মানুষ উন্নত জীবন পাবে, যখন দেশকে আমরা ইপ্সিত লক্ষ্য অনুযায়ী আর্থ-সামাজিকভাবে উন্নত করতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের জন্য একটি সুষম বেতন কাঠামো গড়ে তোলা। যাতে করে তারা একটু স্বচ্ছলভাবে জীবনযাপন করতে পারে। যে কারণে মুদ্রাস্ফীতির ওপর ভিত্তি করেই সরকার তাদের বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, যাই হোক, শ্রমিকদের বেতন কিন্তু তাদের উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, কেননা উৎপাদন এবং মান রক্ষার ওপরই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি জড়িত।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের উৎসাহ প্রদানে ভালো শ্রমিকদের অবশ্যই ভালো প্রণোদনার বন্দোবস্তো থাকতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ