• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বগুড়ায় বন্যায় ৮০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

বগুড়া : বগুড়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ভারী বর্ষণের সঙ্গে উজান থেকে আসা ঢলে যুমনা নদীতে পানি আরও বেড়েছে। যমুনা নদীর পানি বেড়ে বুধবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিপদ সীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। গত ২৪ ঘন্টায় যমুনার পানি বেড়েছে ২০ সেন্টিমিটার। এছাড়া বাঙালী নদীর পানি বিপদসীমার নীচে থাকলেও পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার্তদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পাশাপাশি নতুন করে শঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৩ উপজেলার ৭৫টি গ্রাম বন্যাকবলিত হয়েছে। এদিকে যমুনার পানি বৃদ্ধির ফলে বগুড়ায় ৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

সরেজমিনে সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর, ধুনট উপজেলার শিমুলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের চারপাশে পানি থৈ থৈ করছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসছে না। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে নিরাপদ স্থানে। কোন কোন স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবার কোনটা খোলা থাকলেও শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে আসলেও শিক্ষার্থীরা বন্যার কারণে আসতে পারছে না।

দেখা গেছে, চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে সারিয়াকান্দির চন্দনবাইশা, কুতুবপুর, ধুনটের গোসাইবাড়ী, ভান্ডারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে যারা পড়ালেখা করে তারাও যমুনার পানি বৃদ্ধির ফলে বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না।

কামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয় ভবনের নিচতলায় বন্যার্তরা আশ্রয় নিয়েছে। উপরতলায় ক্লাস হচ্ছে। বন্যার পানিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসছে।

বগুড়া ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস জানায়, জেলার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার যমুনা তীরবর্তী ১৪টি ইউনিয়নের ১৩ হাজারেরও বেশি পরিবারের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবার। যমুনায় পানি বাড়ার কারণে বাঁধ সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকার নিম্নাঞ্চলের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পূর্ব পাশের এলাকাগুলো সবচেয়ে বন্যা কবলিত হচ্ছে। বন্যার্ত লোকজন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিদিনই বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের সংখ্যা বাড়ছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলোকে তাদের গবাদি পশু নিয়ে গাদাগাদি করে বসবাস করতে দেখা গেছে। বন্যাকবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার পানির সংকট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ