• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

১৬ হাজার মিল মালিক কালো তালিকাভুক্ত

সিসি নিউজ : সরকার অবৈধভাবে চাল মজুদকারী ১৬ হাজার মিল মালিককে (মিলার) চিহ্নিত করে কালো তালিকাভুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) চাল আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা জানান।

হাওড়ে বন্যার পর গত কয়েক মাস ধরে দেশে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। ক্রমেই বাড়ছিল চালের দাম। খাদ্যমন্ত্রী একাধিকবার জানিয়েছেন চালের দাম বৃদ্ধির জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা দায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘বাজারে চালের মূল্য বৃদ্ধির একমাত্র কারণ হচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা মজুদ করেছিল। হাওড় অঞ্চলে বন্যা হওয়ার পর থেকেই তারা মজুদ শুরু করেছিল। আমরা যে (বোরোর) ক্রয় মূল্য ৩৪ টাকা দিয়েছিলাম, বাজারের দামের সঙ্গে এর বিরাট ফারাক ছিল। যার ফলশ্রুতিতে আমরা (বোরো) সংগ্রহ করতে পারিনি।’

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘চালের আমদানি শুল্ক উঠিয়ে দেওয়ার পর ভারত থেকে চাল আসছে। ভারত যদিও তাদের চালের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। তারপরও যেভাবে চাল আসছে। যারা আজকে মজুদ করেছিল, এতদিন পর্যন্ত যে সব মিলাররা চুক্তি করেনি। তারা এখন বরং পস্তাচ্ছে। যারা মজুদ করেছিল তারা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে ক্রমান্বয়ে তারা ছেড়ে দিচ্ছে।’

চালের দাম বাড়ানো অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট চিহ্নিত কি করে পেরেছেন? চিহ্নিত হয়ে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে- এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে সব মিল মালিকরা অবৈধভাবে চাল মজুদ করেছে, তাদের আমরা কালো তালিকাভুক্ত করেছি। তিন বছরের জন্য আমরা তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেছি। তাদের কাছ থেকে আমরা চাল ক্রয় করব না।’

এ ধরণের কালো তালিকাভুক্ত করা মিল মালিকদের সংখ্যা ১৬ হাজার বলেও জানান খাদ্যমন্ত্রী।

এ সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান ও খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ