• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

ফাইল ফটো

ঢাকা: মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনের কারণে মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষাতেও এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। এবার ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এবারে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন।

আজ রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে তিনি ফলাফলের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবারের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডর অধীন শুধু এইচএসসি পরীক্ষার পাসের গড় হার ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৭২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এখানেও পাসের হার কমেছে। এবারের জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৪২ জন। গতবার পেয়েছিল ৪৮ হাজার ৯৫০ জন।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা ও কারিগরিতেও গতবারের চেয়ে ফলাফল খারাপ হয়েছে। মাদ্রাসা বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ। এ বোর্ডে ১১ শতাংশের বেশি পাসের হার কমেছে। এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৮১৫ জন।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৮৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এখানে জিপিএ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬৯ জন।
ফলাফল হস্তান্তরের পর পাসের হারের তথ্য প্রকাশের আগে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি গত এসএসসি পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল। তাতে পাসের হার কিছু কমেছিল। সেই পদ্ধতি এবার এইচএসসিতে প্রয়োগ করা হয়েছে।
পরে পাসের হার কমার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খাতা সঠিক মূল্যায়ন করার ফলে এটা হয়েছে। আগে সাধারণ ধারণা ছিল ওজন করে নম্বর দেয়া হয়। এখন সে সুযোগ আর নেই। এখন খাতা দেখেই নম্বর দিতে হয়। এটা আমরা ইতিবাচক বলেই মনে করি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ