• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চাঁদপুরে প্রতারক চক্রের স্ত্রীসহ মূলহোতা আটক

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরে সংঙ্গবদ্ধ প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ ইবনে মিজান রনি (৪৬) ও তার ৩য় স্ত্রী রেশমা বেগমকে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থেকে আটক করেছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার বিকেলে প্রতারক চক্রের সদস্যদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তা তুলে ধরা হয়।
প্রতারক মোহাম্মদ ইবনে মিজান রনি (৪৬) হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১নং ওয়ার্ডের ট্রাকরোড এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে। সে হাজীগঞ্জ উপজেলার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক। তার বিরুদ্ধে প্রতারনার দায়ে কচুয়া থানায় ০২(০৩)১১, মাগুড়া জেলার সদর থানায় ৬২(০১)১১ ও হাজীগঞ্জ থানায় ১৯, ৩১/৭ মামলা রয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে ৪৭(১১)০৯ মামলা রয়েছে। তার ফারজানা বেগম ও মুক্তি নামের আরোও দুই স্ত্রী রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার পিপিএম বলেন, প্রতারক চক্রের কারনে সাধারণ জনগন জিম্মি। রনি বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের সচিব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, এবং বিভিন্ন বিভাগের উর্ধতন সরকারি কর্মকর্তা হিসাবে পদ ও নাম পরিচয় দিয়ে প্রতারনা করিয়া আসতেছিল। উক্ত সংবাদের ভিক্তিতে গত ৪ থেকে ৫দিন ধরে রনিকে চিহ্নিত করে আটকের চেষ্টা চালানো হয়। রনি প্রথমে হাজীগঞ্জ থেকে ঢাকা, তারপর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে চলে যায়। পরে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় চট্টগ্রাম থেকে চৌদ্দগ্রামে যাওয়ার পথে রনি ও তার স্ত্রী কে আটক করা হয়।
তিনি আরো বলেন, রনি আন্ডারওয়ার্ল্ড এর প্রতারক দলের একজন দলনেতা। তার মূলত কোন পেশা নেই বলে আমরা খবর নিয়েছি। সে বিভিন্ন সময়ে মানুষের সাথে প্রতারনা করত বলে স্বীকার করেছে। তাদের একটি সংঙ্গবদ্ধ চক্র রয়েছে। এ চক্রের সাথে আরোও কেউ জড়িত রয়েছে বলে আমরা আন্দাজ করছি। শিঘ্রই বাকী সদস্যদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে। সেই জন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করছি।
এ সময় আরোও বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মিজানুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ আলমগীর হোসেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শরীফ চৌধুরী, সাাবেক সভাপতি ইকরাম চৌধুরী, শহীদ পাটওয়ারী, বি এম হান্নান, সাবেক সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাবেদুল ইসলামসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ