পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপরে ১২ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই কিশোরীকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ আগষ্ট) দুপুরে পার্বতীপুর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী ফোঁটামারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার পর ধর্ষক পালিয়েছে।
ধর্ষিতার স্বজনরা জানায়, শুক্রবার দুপুরে গ্রামের পাশে নদীর তীরে খড়ি কুড়াতে যায় ওই কিশোরী। এ সুযোগে একা পেয়ে একই গ্রামের আমিরুল হকের ছেলে জাকারিয়া (১৮) কৌশলে কিশোরীকে ঝাপটে ধরে। এ সময় সে চিৎকার করলে ধর্ষক জাকারিয়া কিশোরীর মুখ চেপে ধরে কোলে তুলে পাশের একটি নির্মানাধীণ বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
এতে কিশোরীর প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
কিশোরীর নানী জানান, ঘটনার পর সব শুনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলেন।
এ ব্যাপারে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইয়াসমিন ইসলাম জানান, বর্তমানে কিশোরী অবস্থা তেমন ভাল নয়। আগে থেকে রক্ত শূন্যতা থাকতে পারে। তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে হবে। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত ধর্ষণের বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।
উল্লেখ্য, ধর্ষিতার পিতা আকবর আলী মানসিক প্রতিবন্ধি হওয়ায় কিশোরীর মা তাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এর পর থেকে ওই কিশোরী তার নানীর কাছেই থাকে।