• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর ইন্টারনেটে ভিডিও প্রকাশ

রংপুর : রংপুরে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার স্থির ও ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ায়  এক যু্বককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রংপুর নগরের কলেজপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম নুর মোহাম্মদ (২৩)। তার বাড়ি নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার দক্ষিণ কুনাগাছ চাপানী গ্রামে। সে ওই গ্রামের শফিয়ার রহমানের ছেলে।। তিনি সেখানে একটি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা করেছেন।

বুধবার দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) রংপুর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন পিবিআই রংপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার।

তিনি জানান, আসামি নুর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দু’টি মোবাইল ফোন, ১টি পেনড্রাইভ, ৪টি সীমকার্ড, ৩টি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়।

জব্দকৃত আলামতের মধ্যে পেনড্রাইভ ও মেমোরি কার্ডে ধর্ষণের ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাসে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন নুর মোহাম্মদ।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ওই ছাত্রী রংপুর শহরে একটি স্কুলে পড়াকালে নুর মোহাম্মদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালের ১৪ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রংপুরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে নুর মোহাম্মদ।

তখন মোবাইল ফোনে ধর্ষণের চিত্র ধারণ করে নূর মোহাম্মদ। পরবর্তীতে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটির ওপর বিভিন্ন রকম মানসিক নির্যাতন করতে থাকে নুর মোহাম্মদ। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। দিনের পর দিন নির্যাতন সয়ে এক পর্যায়ে মেয়েটি বেঁকে বসলে নূর মোহাম্মদ মেয়েটির কিছু অশ্লীল ছবি তার পরিচিতদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠায়। এমন এক অবস্থায় মেয়েটি আবাসিক মেসে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে ঘটনার শিকার মেয়েটির পক্ষে আবাসিক মেসের শিক্ষার্থীরা পিবিআইকে জানায়। মেয়েটি কলেজের পার্শ্ববর্তী একটি মেসে থাকে।

গেলো ৮ আগস্ট মেয়েটি বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালী থানায় নারী নির্যাতন ও দমন আইনের ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি ধারায় মামলা দায়ের করেন।ওই দিনই নূর মোহাম্মদকে পুলিশ রংপুরের কলেজপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করে।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মজিদ আলী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আসামি নূর মোহাম্মদের কাছ থেকে ঘটনা সংশ্লিষ্ট সব আলামত জব্দ করা হয়েছে। নূর মোহাম্মদ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

তবে পুরো বিষয়ে নূর মোহাম্মদ বা তার পরিবারের কোনো ভাষ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ