• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

৬০ বছরেও জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ড

আলমগীর হোসেন, সিসি নিউজ: বৃদ্ধার নাম রেজিনা (৬০)। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের খালিশা বেলপুকুর গ্রামের মৃতঃ কছিমুদ্দিনের স্ত্রী তিনি। ২০ বছর আগে অসুস্থ্য হয়ে মারা যান কছিমুদ্দিন। এরপর থেকে জীবন সংগ্রাম শুরু হয় তার। অনাহারে অর্ধাহারে কোন রকমেই দিন কাটছে এ বৃদ্ধার। অথচ বিধবা কিংবা বয়স্ক ভাতার কার্ড জোটে নি তার ভাগ্যে।
রেজিনা বেওয়া জানালেন, প্রায় তিন যুগ আগে দিন মজুর কছিমুদ্দিনের সাথে বিয়ে হয়েছিল। কোলে থাকা ৫০ দিনের শিশু সন্তানকে রাখা যান তার স্বামী। কত কষ্ট করে ছেলেটিকে মানুষ করলাম। ছেলে ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস ৫ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পা ভেঙ্গে যায় আদরের ছেলেটির। এমনি মুই খেয়া না খেয়া থাঁকো তার উপরত বেটার বিপদ। এলাকাবসী ও বিত্ত্ববান মানুষদের সহযোগিতায় ছেলেটার পা কিছুটা ঠিক হয়েছে।
রেজিনা বেওয়া আরো জানান, তিনি অন্যের বাড়িতে গৃস্থলির কাজ করেন। প্রতিদিনতো কাজ থাকে না। তাঁতে কোন বেলা আহার জোটে আবার কোন বেলা কাটে উপহাসে।
এ বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, শুনেছি স্বামী মারা গেল সরকার নাকি বয়স্ক মানুষক টাকা দেয়। কিন্তু মোর কপালে কোনটাই জুটলো না। মেম্বার-চেয়ারম্যান কতবার কনু মোক একটা কার্ড দিল না।
এ বিষয়ে কথা হয় খাতামধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরীর সাথে, খুব শিঘ্রই রেজিনা বেওয়াকে বিধবা ভাতার কার্ডকরে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ