• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ: জেলার বেলকুচিতে এক কোচিং শিক্ষক আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই স্কুলছাত্রী এখন ৮ মাসের অন্তঃস্বত্তা। ফলে সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ছাত্রীর স্বজনরা।

এ বিষয়ে বেলকুচি থানায় মামলা হলেও পুলিশ গত দু’মাসেও ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি। উপায়ন্ত না পেয়ে প্রতিকার চেয়ে ইউএনও’র কাছেও অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর স্বজনরা। নির্যাতিত ছাত্রী উপজেলার কল্যাণপুর দাখিল মাদ্রাসার ১০ শ্রেণির ছাত্রী এবং পার্শ্ববর্তী বওড়া আকন্দপাড়ার বাসিন্দা। আর অভিযুক্ত আব্বাস আলী কল্যাণপুর গ্রামের মৃত আশু সেখের ছেলে এবং স্থানীয় ইকরা কোচিং সেন্টারের শিক্ষক।  বর্তমানে তিনি পলাতক।

স্কুলছাত্রীর ভাই ও মামলার বাদী জানান, তার বোন স্থানীয় ইকরা কোচিং সেন্টারে কোচিং করতো। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি অবিবাহিত শিক্ষক আব্বাস আলী পড়া দেখিয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার বোনকে তার বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি বাড়িতে জানানোর কথা বললে, শিক্ষক বিয়ের প্রলোভন দেখায়। এরপর সে আমার বোনের সাথে অবৈধভাবে মেলামেশা চালু রাখে। এ অবস্থায় বোনের অস্বাভাবিক শারিরীক পরিবর্তন ঘটলে সে বাড়িতে ঘটনাটি জানায়। এরপর পারিবারিক ও সামাজিকভাবে চাপ দেওয়া হলেও আব্বাস আলী বিয়ে করতে অস্বীকার করে। উপায়ন্ত না পেয়ে ৭ জুলাই আমি নিজে বাদী হয়ে বেলকুচি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করি। কিন্তু আজও পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেননি।

স্কুলছাত্রীর বড় বোনের জামাই বলেন, পুলিশ আসামি গ্রেফতার না করায় বৃহস্পতিবার ৭ (সেপ্টেম্বর) বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছি। মামলা দিতে গেলে শুরুতেই পুলিশ গড়িমসি করতে থাকে। থানার বড় সাহেবকে (ওসি) ঘুষ দেওয়ার পর তিনি মামলা নেন।

বেলকুচি থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামিম রেজা বলেন, গত ৯ জুলাই সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ওই স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এখনও প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শিক্ষক আব্বাস আলী পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বাদীর অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে স্কুলছাত্রী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার সম্ভব হচ্ছে না।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ