• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: মিয়ানমার

সিসি ডেস্ক: রাখাইনের বিদ্রোহী দলের আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভানশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে আলোচনায় বসার ব্যাপারে কোন পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে মিয়ানমার সরকার।
আজ রবিবার বিকেলে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল জ হতে এক টুইটে একথা জানান। এর আগে গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে আরসা এক মাসের জন্য একতরফা অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করে। তাদের যুক্তি, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দিতে তারা এ অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছে।

সংগঠনটি মিয়ানমারকেও মানবিক দিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে নির্যাতন না করার কথা বলে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার জেরে মিয়ানমানের নিরাপত্তাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে নির্যাতন শুরু করে। সেই নির্যাতন ও নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে গত তিন সপ্তাহে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। সীমান্তে অস্থায়ী ক্যাম্পে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

আরসা অস্ত্রবিরতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি ছিল মিয়ানমার সরকারের দিকে। অং সান সুচির এই সরকার বিষয়টি কীভাবে দেখছে, সেটি জানার অপেক্ষা করছে বিশ্ব গণমাধ্যম। এ অবস্থায় আজ রবিবার বিকেলে মিয়ানমার প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল জ হতে টুইটে জানান, আরসার সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে তাদের কোন পরিকল্পনাই নেই।

মিয়ানমার বলছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এআরএসএ’কে প্রতিরোধ করতে ক্লিয়ারেন্স অভিযান পরিচালনা করছে। মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির নেত্রী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন সরকার এআরএসএ’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

মানবাধিকার পর্যবেক্ষক ও রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছে, রোহিঙ্গাদের রাখাইন ছাড়া করতে সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগী বৌদ্ধরা একযোগে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছে। রাখাইনে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ