• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

রাখাইনের পুড়ে যাওয়া জমি অধিগ্রহণ করবে মিয়ানমার সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সহিংসতার আগুনে পুড়ে যাওয়া রাখাইনের গ্রামগুলো অধিগ্রহণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মিয়ানমার সরকার। পুড়ে যাওয়া গ্রামগুলো অধিগ্রহণের পর পুনঃউন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে।

রাখাইনের রাজধানী সিতভিতে গত মঙ্গলবার এক বৈঠকে সমাজ কল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আইয়ে বলেন, আমাদের দেশের আইনানুযায়ী পুড়ে যাওয়া ভূমি সরকারের দখলে চলে যায়। সরকার সেইসব ভূমির পুনঃউন্নয়ন করবে।

দেশটির সরকারি দৈনিক ‘নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইনে গত ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অগ্নিসংযোগ, মারপিট ও নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম পালিয়েছে। আগুনে ধ্বংসপ্রাপ্ত রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো মিয়ানমার সরকারের অধিগ্রহণের এ পরিকল্পনার পর বাংলাদেশে নতুন করে পালিয়ে আসা ৪ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গার ফিরে যাওয়ার প্রত্যাশায় উদ্বেগ বাড়াতে পারে।

রাখাইনের ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রামগুলোতে অগ্নিসংযোগের জন্য রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দায়ী করছে দেশটির সরকার। এ পরিকল্পনা ঘিরে জাতিগত নিধনে ভূমি থেকে উৎখাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে রোহিঙ্গাদের।

রাখাইনের দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে সুপারিশ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত একটি কমিটির প্রধান দেশটির এই মন্ত্রী। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, রাখাইনের পুনঃউন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড খুবই কার্যকর হবে। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী সরকার সংঘাতপূর্ণ এবং বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনঃউন্নয়ন তত্ত্বাবধায়ন করে।

তবে এ পরিকল্পনার ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এছাড়া রোহিঙ্গারা তাদের পুরনো গ্রামে ফিরতে চাইলে কী হবে সে বিষয়েও জানায়নি মিয়ানমার। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য মিয়ানমারের সমাজ উন্নয়নবিষয়ক এই মন্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

স্যাটেলাইটে রাখাইনের ছবি সংগ্রহের পর মানবাধিবার সংগঠনগুলো বলছে, সহিংসতায় উত্তর রাখাইনের চার শতাধিক গ্রামের অর্ধেকের বেশি পুড়ে গেছে। বাংলাদেশে পাড়ি জমানো রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করেছে। রোহিঙ্গারা বলছে, তাদের রাখাইন ছাড়া করতেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।

২৫ আগস্ট রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ক্লিয়ারেন্স অপারেশন পরিচালনা করছে। জাতিসংঘ সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করে দিলেও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার তা প্রত্যাখ্যান করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ