সিসি ডেস্ক: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যকে এগারো দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর চেতনা, আদর্শ ও মূল্যবোধে উজ্জীবিত শিক্ষকবৃন্দের সংগঠন নীল দল।
রবিবার(৮অক্টোবর) নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি উপাচার্যের ব্যাক্তিগত সহকারীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।
উপাচার্য প্রফেসর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ক্যম্পাসের বাইরে অবস্থান করায় তার ব্যাক্তিগত সহকারী আমিনুর রহমান বরাবর স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়। স্মারকলিপির অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রেজিস্ট্রার, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এছাড়া স্মারকলিপির অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষামন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরে অবগতির নিমিত্তে প্রেরণ করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
১১ দফার অন্যান্য দাবিসমূহতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন, সেশনজট নিরসনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিজ্ঞাপিত পদে শিক্ষক নিয়োগ এবং বঞ্চিত নয়জন শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়াস, অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকবৃন্দের চাকুরিকাল ০১ বছর পূর্ণ হলে তাদের স্থায়ী পদে পদায়ন, সকল পদে যোগ্যতা অর্জনের সময় থেকে পদোন্নতি কার্যকর, শিক্ষা, শ্রান্তি-বিনোদন এবং মাতৃত্বকালীনসহ সকল প্রকার ছুটি গ্রহণ প্রক্রিয়া সহজতম করা, সংবিধি ও প্রবিধি এবং যুগোপযোগী পারিতোষিক কাঠামো প্রণয়ন, ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কার্যক্রম চালু, ২০০৯ সনের ২৯ নং আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে প্রত্যাশানুযায়ী একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করা, প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রদানে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বিরোধী ব্যক্তি/গোষ্ঠিকে মনোনীত না করা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে এরূপ ব্যক্তিদের অবিলম্বে অব্যাহতি দেওয়া এবং শিক্ষকসহ সকল পদে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী/তাদের উত্তরসুরিদের বিবেচনা না করার দাবি জানানো হয়।
এ বিষয়ে নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ বলেন, উপাচার্য নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের (ঘ) শর্তানুযায়ী সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন কিন্তু গত চার মাসে অধিকাংশ সময়ে তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করায় প্রত্যাশানুযায়ী একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল হয়নি।
অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মো: বেলাল উদ্দিন বলেন, বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি ও বাছাই বোর্ডের সুপারিশ থাকলেও গত ০৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ৫৪- তম সিন্ডিকেট সভায় ২৯ জনের মধ্যে ০৯ জন শিক্ষককে যোগ্যতা থাকা সত্তেও পদোন্নতি না দিয়ে বঞ্চিত করা হয়েছে। যা অমানবিক।