• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বন্যার ক্ষত নিয়ে দুর্ভোগে আছেন দিনাজপুরের মানুষ

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর: বন্যার প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও এখনও বন্যার ক্ষত নিয়ে দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জেলার গ্রামীণ জনপদের মানুষ। সম্প্রতিক স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় দিনাজপুরে ৯৩টি সেতু ও কালভাট এবং ২০৪ কিলোমিটার রাস্তার সম্পুর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু রাস্তাঘাট,কালভাট-সেতু, গ্রামীন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখনও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সেতু ও সড়ক এখনও মেরামতের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় জরুরী প্রয়োজনে দুর্ভোগের মধ্যেই চলাচল করতে হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষদের। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে বলা হয়েছে বন্যা পুর্নবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকল্পগুলোর কাজ যতদ্রুত সম্ভব করা হবে ।
সাম্প্রতিক বন্যায় দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলা এবং শহর বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হয়। বন্যার পানিতে গ্রামীন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। ৯৩টি সেতু ও কালভাট এবং ২০৪ কিলোমিটার রাস্তার সম্পুর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখনও বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ।যানবাহন চলাচল করতে না পারায় শিক্ষার্থীদের যেতে হয় বিকল্প পথ দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্টানে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সেতু ও সড়ক এখনও মেরামতের কোন উদ্যোগ না নেয়ায় জরুরী প্রয়োজনে দুর্ভোগের মধ্যেই চলাচল করতে হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার গ্রামীন জনপদের মানুষদের। চিরিরবন্দর এলাকার স্কুল শিক্ষার্থী মশফেকুর রহমান জানান, বন্যায় বিধবস্ত তাদের সেতুটি নির্মাণ না করায় এখন প্রতিদিন ৩ কিলো রাস্তা ঘুরে তাকে স্কুলে যেতে হয়।
একই কথা জানালেন,কাহালো উপজেলার কৃষক অতুল প্রতাব। তিনি বলেন, বন্যায় বিধবস্ত তাদের রাস্তা ঠিক না হওয়ায় এলাকাবাসীকে এখন চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জমির আইল দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।রাস্ত- সেতু সংস্কার করে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরেয়ে আনা যায় সে দাবী জানিয়েছেন এলাকার জন প্রতিনিধিরাও।
অর্থ বরাদ্বসহ বিভাগীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই দ্রুতগতিতে কাজ সম্পন্ন করে গ্রামীন জনপদের মানুষের দুর্দশা লাঘব করা হবে বলে জানান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ খলিলুর রহমান। তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৯৩টি সেতু ও কালভাট এবং ২০৪ কিলোমিটার রাস্তাঘাট পূর্ণনির্মাণ ও পূর্ণবাসন করতে ৯৬ কোটি টাকা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদন দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ক্ষতিগ্রস্ত এসব সেতু ও সড়ক জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের করা হলে গ্রামীন অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে,ঘটবে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ও এ জনপদের মানুষদেও,এমটাই মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ