• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক সম্প্রসারন প্রকল্পে ২২৫ কোটি টাকার অনুমোদন

সিসি নিউজ, ০৯ নভেম্বর: নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক সম্প্রসারনে ২২৫ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেকে)। গতকাল মঙ্গলবার (৭ নবেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নীলফামারী কার্যালয় সূত্র জানায়, নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গী মোড় থেকে সৈয়দপুর ওয়াপদা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারনে ২২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এরমধ্যে জমি অধিগ্রহণ, বাঁধ প্রশস্তকরন, আরসিসি কালভার্ট নির্মাণ, ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের মোহাম্মদ হামিদুর রহমান জানান, পরিকল্পনা কমিশনের নীলফামারী-সৈয়দপুর মহাসড়ক প্রশস্তকরন ও মজবুতি করণ শীর্ষক শিরোনামে প্রকল্প পাস হয়েছে এননেকে।
সওজ সূত্র জানায়, বর্তমানে ১৮ ফিটের সড়কটি সম্প্রসারিত হয়ে ৩২ ফিটে উন্নীত হবে। এজন্য জমি অধিগ্রহন, বিদ্যুতের পোল সরানো, গাছ কর্তনের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হবে দ্রুত। চলতি অর্থবছরেই সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা হবে।
নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, নীলফামারী জেলা বাসীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে ব্যস্ততম সড়কটি।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ জানান, এই সড়টি এখন অত্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরা ইপিজেডের কারনে আরও গুরুত্বপূর্ণ। জেলা সদরের ১৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক যাতায়াত করেন সকালে ও বিকালে। ওই দুই সময়ে পুরো সড়কে যানজটের ফলে চলাচলে মারাত্মক ভাবে বিঘ্নিত হয়। এছাড়াও রাজধানী শহরে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে এই সড়কটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ